১৫২-তে ১২৫! প্রথম দফার ‘রেকর্ড’ ভোটে নবান্ন দখলের ম্যাজিক ফিগার দেখছে তৃণমূল

কলকাতা: বাংলায় প্রথম দফার ভোটের হারের গ্রাফ যত বাড়ছে, শাসক-বিরোধী দুই শিবিরের অন্দরেই ততই বাড়ছে আসন সংখ্যার দাবি। একদিকে অমিত শাহ যখন বিজেপি-র জয়ের দাবি করছেন, ঠিক তার ...

By Moumita Biswas

Published:

Follow Us
Mamata Banerjee Municipal Meeting

কলকাতা: বাংলায় প্রথম দফার ভোটের হারের গ্রাফ যত বাড়ছে, শাসক-বিরোধী দুই শিবিরের অন্দরেই ততই বাড়ছে আসন সংখ্যার দাবি। একদিকে অমিত শাহ যখন বিজেপি-র জয়ের দাবি করছেন, ঠিক তার পাল্টা হিসেবে তৃণমূলের দাবি, প্রথম দফাতেই তারা সরকার গড়ার ‘ম্যাজিক ফিগার’-এর দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তৃণমূলের তরফে কুণাল ঘোষ এবং ব্রাত্য বসু দাবি করেছেন, ১৫২টি আসনের মধ্যে ঘাসফুল শিবির অন্তত ১২৫টি আসনে জিততে চলেছে।

শুভেন্দুকে নিয়ে বড় দাবি

তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের নিশানায় ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, “নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্রেই হারতে চলেছেন শুভেন্দু। তিনি এবার প্রাক্তন বিধায়ক হতে চলেছেন।” উল্লেখ্য, প্রথম দফায় বিজেপি-ও ১২৫টি আসন জয়ের দাবি করেছিল, যার পাল্টা হিসেবে একই সংখ্যাতত্ত্ব ব্যবহার করে তৃণমূল বুঝিয়ে দিল, লড়াই এখন সেয়ানে-সেয়ানে।

   

মমতার ‘নাড়ি’ দেখা ও জনরোস Trinamool Claims 125 Seats

বৌবাজারের সভা থেকে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, “আমি যদি মানুষের নাড়ি বুঝতে পারি, তবে বলব, আমরা ইতিমধ্যেই চালকের আসনে বসে আছি।” তাঁর মতে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত রুখতেই মানুষ এবার কোনও ঝুঁকি না নিয়ে রেকর্ড ভোট দিয়েছেন।

কেন এই বিপুল আত্মবিশ্বাস?

তৃণমূলের দাবি, সিএএ বা এনআরসি-র (এসআইআর) আশঙ্কায় মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছেন। বিশেষ করে বিপুল সংখ্যক মহিলার ভোট সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলিতেই গিয়েছে বলে কুণাল ঘোষের দাবি। অন্যদিকে, ব্রাত্য বসু বিহারের উদাহরণ টেনে বলেন, ভোট বেশি পড়ার অর্থ সবসময় সরকার বিরোধী হওয়া নয়। বিহারের মতো বাংলাতেও রেকর্ড ভোটের মাধ্যমে সরকারের প্রত্যাবর্তন ঘটবে বলেই তিনি নিশ্চিত।

মেটিয়াবুরুজ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই সুরে দাবি করেছেন, এবারের ভোটে তৃণমূলের আসন ও ভোট শতাংশ, দুই-ই বাড়তে চলেছে। দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গের ঘাসফুল ‘ঘাঁটি’তে ভোট হওয়ার পর বিজেপি কার্যত ধুয়েমুছে যাবে বলেই মনে করছে জোড়াফুল শিবির।

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google