নয়াদিল্লি: SIR এ ঝাড়াই বাছাইয়ের পর বাংলার ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ৯১ লক্ষ নাম। (TMC MPs protest)এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতেই আজ সাগরিকা ঘোষ, ডেরেক ও ব্রায়ান সহ চার তৃণমূল সাংসদ পৌঁছে গিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের দফতরে। তবে বেরিয়ে এসেই তৃণমূল সাংসদরা অভিযোগ করেন অভিযোগ শোনা তো দূরস্থান, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার মাত্র ৭ মিনিটের মধ্যেই তাদের গেট লস্ট বলে বের করে দেন।
বাইরে এসে তৃণমূল সাংসদরা অভিযোগ করেন তারা এই মুহূর্তে পার্লামেন্টে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল। তাদের সঙ্গে এই ধরণের ব্যবহার সমীচীন নয়। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলার ভোটার তালিকা ঝাড়াই-বাছাই করার পর ৯১ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, এতে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ Harry Potter: হগওয়ার্টসে মারাদোনার ঝলক! জাদুর দুনিয়ায় ফুটবল ম্যাজিক
অনেক সাধারণ নাগরিক, যাঁরা বছরের পর বছর ধরে ভোট দিয়ে আসছেন, তাঁদের নাম হঠাৎ করে তালিকা থেকে উধাও হয়ে গেছে। দলের নেতারা বলছেন, এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক। তাই তাঁরা সরাসরি কমিশনের দরজায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে চেয়েছিলেন।দেখা করার পর বেরিয়ে এসে তৃণমূল সাংসদরা যা বললেন, তা শুনে অনেকেই অবাক হয়ে গেছেন। ডেরেক ও’ব্রায়েন সাংবাদিকদের জানালেন, “মিটিং শুরু হওয়ার মাত্র সাত মিনিটের মধ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আমাদের বললেন, ‘গেট লস্ট’।
আমরা সংসদের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দল। এভাবে আমাদের সঙ্গে কথা বলা যায় না।” তাঁর কথায় স্পষ্ট ক্ষোভ। ডেরেক বলেন, তাঁরা শান্তভাবে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন, কিন্তু কমিশনার কোনও কথা শুনতেই রাজি হননি। সাগরিকা ঘোষও বাইরে এসে একই ধরনের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা দাবি করেন, এটা শুধু তৃণমূলের নয়, গোটা বাংলার ভোটারদের অধিকারের প্রশ্ন।
তৃণমূলের এই অভিযোগের পর নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকেও একটা প্রতিক্রিয়া এসেছে। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রতিনিধি দলের কিছু সদস্যের আচরণ অশোভন ছিল। চিৎকার-চেঁচামেচি এবং অভদ্র ভাষা ব্যবহার করায় কমিশনার তাঁদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার অনুরোধ করেছিলেন। কমিশনের দাবি, মিটিংয়ে সৌজন্য বজায় রাখা উচিত ছিল। দুই পক্ষের এই পালটা অভিযোগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।




















