হোয়াটসঅ্যাপের ইউজারনেম ফিচারে কেন্দ্রের ‘না’, জবাব দিতে মেটাকে ৩ দিন সময়

নয়াদিল্লি: হোয়াটসঅ্যাপের প্রস্তাবিত ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে কেন্দ্রের উদ্বেগের মুখে বড়সড় চাপে মেটা। হোয়াটসঅ্যাপের নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা মোবাইল নম্বর শেয়ার না করেই একে অপরের…

WhatsApp Username Feature India Government Concern

নয়াদিল্লি: হোয়াটসঅ্যাপের প্রস্তাবিত ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে কেন্দ্রের উদ্বেগের মুখে বড়সড় চাপে মেটা। হোয়াটসঅ্যাপের নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা মোবাইল নম্বর শেয়ার না করেই একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে এই ফিচারটি চালু হওয়ার আগেই সরকারের তরফ থেকে মেটাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আইটি মন্ত্রকের তরফে এই ফিচারটির সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

কেন্দ্রের উদ্বেগ

গত বুধবার মেটাকে পাঠানো নোটিশে কেন্দ্রীয় সরকার প্রশ্ন তুলেছে, কেন এই নতুন ফিচারটি নিয়ে তাদের আগেই কোনো আলোচনা করা হয়নি। সরকারের উদ্বেগের মূল কারণ হলো, এই ফিচারের মাধ্যমে অনলাইন জালিয়াতি, ফিশিং, ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ স্ক্যাম এবং পরিচয় জালিয়াতির (impersonation) মতো সাইবার অপরাধ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। আইটি আইন এবং নিয়ম লঙ্ঘন করে এই ফিচার চালুর জন্য কেন মেটার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা নিয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

মেটার আশ্বাস

পিটিআই সূত্রে খবর, হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারটির নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তা আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। সরকারের এই নোটিশের পর মেটার প্রতিনিধি দল গত শুক্রবার আইটি মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে মেটা নিশ্চিত করেছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত সরকারি স্তরে সব আলোচনা শেষ না হচ্ছে এবং সরকার সন্তুষ্ট না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভারতে এই নতুন ফিচারটি চালু করা হবে না।

বাড়তি সময়

মূলত শুক্রবারের মধ্যে মেটাকে তাদের জবাব জমা দেওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে মেটা কর্তৃপক্ষ আরও কিছুটা সময় চেয়ে আবেদন করায়, আইটি মন্ত্রক তাদের আরও তিন দিন সময় দিয়েছে। এখন সব নজর সেদিকেই—সরকারের উদ্বেগ দূর করতে মেটা কর্তৃপক্ষ কী ধরণের পদক্ষেপ নেয় বা কী ব্যাখ্যা দেয়।