মুম্বই ফুটবল অ্যারেনায় আইএসএল (ISL) ২০২৪-২৫ মরসুমের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে মুম্বই সিটি এফসি (Mumbai City FC) ও মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট(Mohun Bagan SG)। শনিবারের এই ম্যাচটি প্লে-অফ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট গত রবিবার ওডিশা এফসির বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে আইএসএল লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তারা আইএসএল শিরোপা টানা দ্বিতীয়বার ধরে … Read more
মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের অস্ট্রেলীয় ফরোয়ার্ড জেমি ম্যাকলারেন (Jamie Maclaren) ২০২৪-২৫ ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) মরশুমের শেষ পর্বে এসে দলের জন্য একটি বিস্ফোরক শক্তি হয়ে উঠেছেন। গত গ্রীষ্মে মেলবোর্ন সিটি এফসি থেকে কলকাতার এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি মেরিনার্সদের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। মরশুমের শেষ দিকে তাঁর ফর্মের উত্থান মোহনবাগানকে আইএসএল শিল্ড … Read more
ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL 2025) ২০২৪-২৫ মরশুমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শনিবার (১ মার্চ) মুম্বই সিটি এফসি (Mumbai City FC) তাদের ঘরের মাঠে মোহনবাগান (Mumbai City FC) সুপার জায়ান্টের মুখোমুখি হবে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসি প্লে-অফে জায়গা পাকা করার জন্য মরিয়া, যেখানে তাদের বাকি তিনটি ম্যাচে মাত্র চার পয়েন্ট প্রয়োজন। অন্যদিকে, মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট, যারা … Read more
মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG) ফুটবল ইতিহাসে আরও এক নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। বিশ্ব ফুটবল ক্লাবের র্যাঙ্কিংয়ে (World Football Club Ranking) তারা বর্তমানে ৫৩০ নম্বরে অবস্থান করছে, যেখানে তাদের মোট পয়েন্ট ১৪৩৭। তাদের এই র্যাঙ্কিংয়ে রয়েছে বেশ কিছু বড় ক্লাবকে পিছনে ফেলে দেওয়া সাফল্য, যেমন পেরসিব, মেলবোর্ন সিটি ইত্যাদি। এশিয়ার ফুটবলে তাদের অবস্থান আরও … Read more
আইএসএল (ISL) লিগ-শিল্ড ২০২৪-এর চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG)। ২২ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে মগডালে হোসে মোলিনার নেতৃত্বে দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ফলস্বরূপ শিল্ডটি জয়ী হয়েছে। তবে, এই সাফল্যকে এক নম্বরে রাখতে রাজি নন মোহনবাগানের মিডফিল্ডার আপুইয়া (Apuia )। তিনি জানান, তার কাছে মুম্বই সিটি এফসি (Mumbai City FC) র হয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতি সবথেকে বড়। কারণ, মুম্বইয়ের জার্সি গায়ে খেলে তিনি যে বড় খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন, যেমন নেইমার এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, তা এক কথায় অমূল্য।
আপুইয়া আরও জানান, আইএসএল লিগ-শিল্ড জয়ের পরেও দলের মানসিকতায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তিনি মনে করেন, শিল্ড জয় একটি অর্জন হলেও সামনে আরও দুটি ম্যাচ জিতে ৫৮ পয়েন্ট অর্জন করা এখনও প্রধান লক্ষ্য। এই বিজয়ের পেছনে দলের স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডারদের সাফল্য গুরুত্ব পেলে, তিনি মনে করেন মিডফিল্ডারদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। গোল তৈরি করা বা রক্ষায় মিডফিল্ডারের ভূমিকা অনেক বড়। বিশেষ করে তার নিজের ভূমিকা সাফল্য আনতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
হোসে মোলিনার অধীনে এই সাফল্য চূড়ান্ত হলেও আপুইয়া নিশ্চিত যে, দলের আরও উন্নতির জন্য তারা সমস্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং পরবর্তী ধাপে খেলার জন্য প্রস্তুত থাকবে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী শনিবার আইএসএলের পরবর্তী ম্যাচ খেলতে নামবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG)। যেখানে তাঁদের লড়াই করতে হবে পেট্র ক্র্যাটকির শক্তিশালী মুম্বাই সিটি এফসির সঙ্গে। গত সপ্তাহের শেষের দিকে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের লিগ শিল্ড নিশ্চিত হয়ে গেলেও এই ম্যাচকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন দলের ফুটবলাররা। উল্লেখ্য, এবারের এই আইএসএল মরসুমের প্রথম ম্যাচে পেট্র … Read more
এবারের ইন্ডিয়ান সুপার লিগে নয়া ইতিহাস সৃষ্টি করেছে মোহনবাগান (Mohun Bagan ) সুপার জায়ান্ট। গত ম্যাচে শক্তিশালী ওডিশা এফসিকে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বার আইএসএলের লিগ শিল্ড জয় করেছে কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। যা নিয়ে খুশি বাগান সমর্থকরা। তবে শুধুমাত্র শিল্ড নয়। এই ধারা বজায় রেখেই আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হতে চান বাগান কোচ জোসে মোলিনা। সেইমতো ফুটবলারদের প্রস্তুত করছেন সবুজ-মেরুন কোচ। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী শনিবার দেশের এই প্রথম ডিভিশন লিগের পরবর্তী অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নামবে মোহনবাগান।
মুম্বাইয়ের ফুটবল এরিনায় তাঁদের লড়াই করতে হবে শক্তিশালী মুম্বাই সিটি এফসির সঙ্গে। বর্তমানে সুপার সিক্সে নিজেদের নিশ্চিত করতে হলে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিতে চাইবেন লালিয়ানজুয়ালা ছাংতেরা। সেক্ষেত্রে পঞ্চম দল হিসেবে সুপার সিক্সে চলে যাবে গতবারের আইএসএল জয়ীরা। অন্যদিকে, আইএসএলের পয়েন্ট টেবিলের সর্বোচ্চ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে শেষ করতে চলেছে মেরিনার্সরা। বর্তমানে নিয়ম রক্ষার ক্ষেত্রে বাকি দুই ম্যাচ খেলতে হলেও সেগুলিকে হালকাভাবে নিতে নারাজ বাগান কোচ। আসলে গত গোয়া ম্যাচ থেকে মোহনবাগান যে ছন্দে রয়েছে সেটা বজায় রাখাই এখন অন্যতম লক্ষ্য মোলিনার।
তাই ওডিশা ম্যাচের মতো এই ম্যাচকে ও যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন দিমিত্রি পেত্রাতোসরা। উল্লেখ্য, এবারের এই ইন্ডিয়ান সুপার লিগের প্রথম ম্যাচে দেশের এই বানিজ্য নগরীর ফুটবল ক্লাবের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল মেরিনার্সরা। ঘরের মাঠে সেই ম্যাচে এগিয়ে থেকেও জয় সুনিশ্চিত করতে পারেনি শুভাশিস বসুরা। তিরি ও থায়ের ক্রোমার গোলের দরুন পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সল্টলেক স্টেডিয়াম ছাড়তে হয়েছিল সবুজ-মেরুনকে। সেই হতাশা কাটিয়ে এবার জয় চাইছেন বাগান ফুটবলাররা। তবে এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মেহতাব সিংকে সম্ভবত দলে পাবে না মুম্বাই সিটি।
যেটা নিঃসন্দেহে বাড়তি অ্যাডভান্টেজ যুক্ত করবে দলের ফুটবলারদের মধ্যে। বর্তমানে দুইটি ম্যাচের জন্য নির্বাসিত রয়েছেন জাতীয় দলের এই তারকা ডিফেন্ডার। সেটা কিছুটা হলেও চাপে ফেলতে পারে পেট্র ক্র্যাটকির ছেলেদের।
গত ম্যাচে ওডিশা এফসিকে পরাজিত করে লিগ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছে মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক পয়েন্ট রয়েছে তাঁদের ঝুলিতে। এক কথায় যা ইতিহাস। চলতি ফুটবল মরসুমে দলের এমন পারফরম্যান্স নিয়ে যথেষ্ট খুশি আপামর বাগান জনতা। তবে এখানেই শেষ নয়। এখন পর্যন্ত বাকি রয়েছে লিগের দুইটি ম্যাচ। যেখানে তাঁদের লড়াই করতে হবে শক্তিশালী মুম্বাই সিটি এফসির পাশাপাশি মানোলো মার্কুয়েজের এফসি গোয়ার সঙ্গে। এখন এই দুই ম্যাচের দিকেই নজর রয়েছে সকল সমর্থকদের। সূচি অনুযায়ী আগামী ১লা মার্চ মুম্বাই সিটি এফসির বিপক্ষে খেলতে নামবে মোহনবাগান।
ওডিশা এফসিকে পরাজিত করার পর এই বাকি দুই ম্যাচ জিতেই নক আউট পর্বের লড়াইয়ে নামতে চান বাগান কোচ জোসে মোলিনা। সেইমতো নিজেদের ফুটবলারদের তৈরি করেছেন তিনি। অর্থাৎ জয়ের সরণিতে থেকে পরবর্তী পর্ব শুরু করাই প্রধান উদ্দেশ্য সবুজ-মেরুনের হেডস্যারের। হিসাব অনুযায়ী দেখলে এটি মূলত নিয়ম রক্ষার ম্যাচ হলেও প্রতিপক্ষ দলকে খুব একটা হালকাভাবে নিতে নারাজ শিল্ড জয়ী এই কোচ। ম্যাচের আগে তাই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত থেকে যথেষ্ট সাবধানী থাকতে দেখা যায় মোলিনাকে। পাশাপাশি এই ম্যাচের জন্য সকলের নজর থাকবে লালেংমাউইয়া রালতে তথা আপুইয়ার দিকে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মরসুম ধরেই মুম্বাই সিটি এফসির হয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছেন জাতীয় দলের এই ফুটবলার। মুম্বাই সিটি এফসির জয়ের ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও থেকেছে মিজোরামের এই মিডফিল্ডারের। তাই সবদিক মাথায় রেখেই এই নয়া সিজনে তাঁকে দলের সঙ্গে যুক্ত করেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। একটা সময় তাঁকে পাওয়ার জন্য টুর্নামেন্টের একাধিক ফুটবল ক্লাব আসরে নামলেও শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করে সবুজ-মেরুন। তারপর সময় যত এগিয়েছে বাগানের মাঝমাঠের অন্যতম ভরসার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন এই ভারতীয় মিডফিল্ডার।
এবার নিজের প্রাক্তন দলের বিপক্ষে লড়াই। সেই নিয়ে সাংবাদিকদের তরফে প্রশ্ন করা হলে আপুইয়া মুম্বাই সিটি এফসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করার পাশপাশি অতীতের বহু কথার উল্লেখ করে বর্তমানে মোহনবাগানের হয়ে নিজের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “মুম্বাই সিটি এফসি আমাকে একজন দক্ষ ফুটবলার হওয়ার পাশাপাশি নিজের বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করেছে। তবে এখন আমি নিজের সেরাটা দিয়ে মোহনবাগানকে সাহায্য করতে চাই।” আপুইয়ার এমন মন্তব্য নিঃসন্দেহে খুশি করেছে বাগান সমর্থকদের।
মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের (Mohun Bagan SG) কর্তারা (Management) কোচ (Coach) হোসে মোলিনার (Jose Molina) সঙ্গে আগামী মরসুমে চুক্তি (Contract Extension) বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ২০২৪-২৫ মরসুমের (ISL 2024-25 Session) শিল্ড জয়ের পর, বাগান কর্তৃপক্ষেরধারণা স্প্যানিশ কোচ মোলিনার সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা উচিত। মোলিনা, যিনি ইতিমধ্যেই ক্লাবের সঙ্গে একটি চুক্তির সম্প্রসারণের ক্লজ রেখেছেন, তার পারফরম্যান্স এবং ক্লাবের সঙ্গে তার সম্পর্কের ভিত্তিতে চুক্তির নতুন রূপে আলোচনা শুরু হয়েছে।
২০২৪-২৫ মরসুমে আইএসএল শিল্ড জয়ের পর মোলিনার গুরুত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে বাগান ব্রিগেডের সামনে। এই শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে সবুজ-মেরুন শিবির আরও একধাপ এগিয়ে গিয়েছে । কোচ মোলিনা তাঁর কৌশল, ম্যাচ পরিচালনা এবং দলের মনোবল বৃদ্ধির মাধ্যমে দলের পারফরম্যান্সকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে গেছেন। তিনি দলের প্রতিটি খেলোয়াড়কে অনুপ্রাণিত করেছেন, যা ফলে মাঠে তাদের দারুণ ফলাফল করেছে।
মোহনবাগান কর্তৃপক্ষের সাথে তার চুক্তির সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা চলছে এবং মনে করা হচ্ছে সব কিছু যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, সেক্ষেত্রে কোচ মোলিনা আরও কিছু বছরের জন্য ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। ক্লাব কর্তৃপক্ষ এবং মোলিনা একে অপরের ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যেতে চান। মোলিনার নেতৃত্বে মোহনবাগান এসজি নতুন দিগন্তে পৌঁছাতে পারে বলে বিশ্বাস রাখা হচ্ছে।
????????BREAKING :
Mohun Bagan management is discussing with ???????? Jose Molina about a contract extension
He already has an extension clause in his contract and if everything goes as planned, he is imminent to stay
চুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে ক্লাব এবং কোচ উভয়েরই লাভ হবে। কোচ মোলিনার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং ক্লাবের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য এক মজবুত ভিত্তি তৈরি করতে পারবেন। মোহনবাগান তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আরও বড় মঞ্চে প্রতিযোগিতা করতে চাইবে। মোলিনা সেই লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রস্তুত।
এই চুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মোহনবাগান আরও শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে আরও সফলতা এবং শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। কোচ হোসে মোলিনার সাথে সম্পর্কের উন্নতি হলে ক্লাব আইএসএল ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবে।
ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) ২০২৪-২৫ মরসুমের প্লে-অফের সূচি সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে। এই মরসুমে প্লে-অফ পর্ব শুরু হবে ২৯ মার্চ থেকে এবং সেমিফাইনাল পর্ব ৭ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। তবে ফাইনাল ম্যাচের তারিখ এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। আইএসএল-এর এই সংস্করণে ছয়টি দল প্লে-অফে অংশ নেবে, যা ২০২২-২৩ মরসুম থেকে চলে আসা নিয়মের ধারাবাহিকতা। এই ছয়টি দলের … Read more
গত রবিবার নয়া ইতিহাস সৃষ্টি করেছে মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। সেদিন সন্ধ্যায় সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আইএসএলের পরবর্তী হোম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। যেখানে তাঁদের লড়াই করতে হয়েছিল জগন্নাথের রাজ্যের ফুটবল ক্লাব ওডিশা এফসির সঙ্গে। পূর্ণ সময়ের শেষে দিমিত্রি পেত্রাতোসের করা একমাত্র গোলে ঘরের মাঠে আসে জয়। তাছাড়া এই ম্যাচে পুরো পয়েন্ট পাওয়ার সুবাদে লিগের কয়েক ম্যাচ বাকি থাকতেই দ্বিতীয়বারের মতো লিগ শিল্ড জয় করে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।
ভারতীয় ক্লাব ফুটবলে প্রথম কোন ও দল হিসেবে এই খেতাব জয় করেছে মেরিনার্সরা। তবে সেখানেই শেষ নয়। এবারের এই প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগে এখনও পর্যন্ত ৫২ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পেরেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আইএসএলের ইতিহাসে প্রথম কোন ও দল হিসেবে এই সাফল্য পেয়েছে ময়দানের এই প্রধান। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি আপামর মোহন জনতা। বলতে গেলে সেই জয়ের ঘোর এখনও রয়ে গিয়েছে সমর্থকদের মধ্যে। এবার এই অভূতপূর্ব ছন্দের মধ্যে দিয়েই আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য দিমিত্রি পেত্রাতোসদের।
এখন সেদিকেই নজর রয়েছে বাগান জনতার। সূচি অনুসারে দেখলে আগামী ৩রা মার্চ ইন্ডিয়ান সুপার লিগের পরবর্তী ম্যাচ খেলতে নামবে মেরিনার্সরা। কিন্তু তাঁর আগেই গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভূতনাথ মন্দিরে সস্ত্রীক পুজো দিয়ে গেলেন মোহনবাগান অধিনায়ক শুভাশিস বসু। কিছু ঘন্টা আগেই সেই সম্পর্কিত বেশকিছু ছবি নেট মাধ্যমে আপলোড করেন তাঁর স্ত্রী কস্তুরী ছেত্রী। যেখানে ভূতনাথ মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি মহাদেব দর্শন ও স্থানীয় বেশকিছু খাওয়ারের স্বাদ গ্ৰহন করতে দেখা যায় এই দম্পতিকে।
বর্তমানে সেই সমস্ত ছবি নিঃসন্দেহে মন জয় করেছে বাগান অনুরাগীদের। গত রবিবার শিল্ড জয়ের পর এবার ইশ্বরের আশির্বাদ সঙ্গে নিয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়াই এখন অন্যতম লক্ষ্য বাগান ফুটবলারদের।
মোহনবাগানের (Mohun Bagan) সমর্থকদের জন্য এল একটি সুখবর! ব্রেকিং নিউজ হিসেবে জানা গেছে যে, দলের তারকা ফুটবলার গ্রেগ স্টুয়ার্ট আগামী মরসুমেও সবুজ-মেরুন জার্সিতে মাঠে নামবেন। এই খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে ক্লাবের ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের জোয়ার দেখা যাচ্ছে। গ্রেগ স্টুয়ার্ট, যিনি গত কয়েকটি মরসুমে মোহনবাগানের আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা হয়ে উঠেছেন, তাঁর দলে থাকার খবরে … Read more
চলতি আইএসএল মরসুমের শুরুতে জেমি ম্যাকলারেনকে সই করায় মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। এই অজি বিশ্বকাপারকে দলে সই করানো নিঃসন্দেহে বড়সড় চমক ছিল ময়দানের এই প্রধানের। তবে শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না এই গোলমেশিনের। সিজনের প্রথম থেকেই তাঁর অনবদ্য পারফরম্যান্সের সাক্ষী থাকার পরিকল্পনা থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি। যারফলে কিছুটা হলেও আশাহত হতে হয়েছিল সবুজ-মেরুন সমর্থকদের। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে ততই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে দেখা গিয়েছে এই বিদেশি ফরোয়ার্ডকে। বিশেষ করে দেশের এই প্রথম ডিভিশন লিগের হাইভোল্টেজ ডার্বি ম্যাচে অভূতপূর্ব পারফরম্যান্স করেন জেমি ম্যাকলারেন।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ইমামি ইস্টবেঙ্গলের বিপক্ষে দুইটি লেগেই গোল পেয়েছিলেন এই অজি তারকা। যা নিঃসন্দেহে এনে দিয়েছিল জয়। তারপর সময় যত এগিয়েছে ততই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছেন ম্যাকলারেন। বিশেষ করে গত কয়েকটি ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্স সহজেই মন জয় করেছে সকল সমর্থকদের। যার সুবাদে অনায়াসেই শিল্ড জয়ের দৌড়ে এগিয়ে গিয়েছিল কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। শেষ ম্যাচে শক্তিশালী ওডিশা এফসির বিপক্ষে গোলের মুখ খোলা সম্ভব না হলেও এই অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলারের সক্রিয়তা যথেষ্ট চাপে ফেলে দিয়েছিল প্রতিপক্ষ দলকে।
এমন সেই ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ও বেশ কয়েকবার প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে হানা দিয়েছিলেন বাগানের এই ফুটবলার। তবে শেষ মুহূর্তে ম্যাচের অতিরিক্ত সময় গোল করে দলের শিল্ড জয় নিশ্চিত করে দেন দলের আরেক অজি ফুটবলার দিমিত্রি পেত্রাতোস। বর্তমানে সেই নিয়েই মাতোয়ারা আপামর বাগান জনতা। দলের জার্সিতে প্রথম বছর খেলতে এসে এমন অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়ে যথেষ্ট খুশি অজি ফুটবলার জেমি ম্যাকলারেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারতে এসে মোহনবাগানে যোগদান করে তিনি যে কোনও ভুল করেননি এবার সেটাই জানালেন এই হাইপ্রোফাইল ফুটবলার।
একটি জনপ্রিয় মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ” কলকাতায় যে মুহুর্তে আমি অবতরণ করি, আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে আমি সঠিক জায়গায় এসেছি। তাছাড়া বিমানবন্দরে সমর্থকদের থেকে আমি যে অভ্যর্থনা পেয়েছি তা এমন কিছু যা আমি আগে কখনও অনুভব করিনি । যা বলে প্রকাশ করা কঠিন।” তাঁর এমন মন্তব্য নিঃসন্দেহে খুশি করেছে সকল সমর্থকদের।
২০২৪-২৫ আইএসএলে (ISL) লিগ শিল্ড জিতে নিয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG)। দলের খেলোয়াড় থেকে সমর্থক সবাই এখন আনন্দে মাতোয়ারা। বাকি আছে আর দুটি ম্যাচ। এমত পরিস্থিতিতে আগামী সিজনে একটি অভিজ্ঞ সেন্টার ব্যাক প্রয়োজন হলে মোহনবাগান মুম্বাই সিটি (Mumbai City FC) র তারকা ডিফেন্ডার মেহতাব সিং (Mehtab Singh) কে দলের বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে … Read more
মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG) গত কয়েক বছরে আইএসএলে (ISL) নিজেদের এক শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে টানা দ্বিতীয় বার আইএসএল শিল্ড জয় এবং প্লে-অফে খেলার মাধ্যমে পুনরায় শক্তি এবং ধারাবাহিকতা প্রমাণ করেছে। এরই মাধ্যমে অনন্য নজির গড়ে ফেলেছে বাগান ব্রিগেড। এক টানা পঞ্চম বারের (Five Consecutive Session) জন্য … Read more
২৩ ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ২০২৪-২৫ মরসুমে (ISL 2024-25 Session) শিল্ড (ISL Shiled) জয়ে মোহনবাগান (Mohun Bagan SG) নিজেদের ইতিহাসে আরও এক নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। প্রায় ৫৬ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে, কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে সবুজ-মেরুন শিবির সাফল্যের সাথে আইএসএল শিল্ড জয় করল। ভারতের প্রথম ক্লাব হিসেবে টানা দু’বার এই খেতাব জয়ের কীর্তি, যা ক্লাবের ফুটবল ইতিহাসে এক বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হবে। তবুও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal FC) খোঁচা দিতে পিছু হটল না বাগান সমর্থকরা (Mohun Bagan SG Supporters)।
মোহনবাগান ক্লাবটি গত দুই-তিন মরসুমে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী দল গড়েছে। আক্রমণ থেকে রক্ষণ পর্যন্ত প্রতিটি বিভাগে তাদের শক্তি এবং সমন্বয় অসামান্য। এটি সম্ভব হয়েছে উপযুক্ত খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে, যার ফলে মোহনবাগান আজ আইএসএলের শীর্ষে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
এদের মধ্যে অন্যতম কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কার অবদান অবিস্মরণীয়। ক্লাবের এই সাফল্যের পেছনে তার অবদান এবং নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সমর্থকরা তাই নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে ভোলেনি। গ্যালারিতে বিশাল এক টিফোতে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার ছবি সহ লেখা ছিল “সঞ্জীব’নী টোটকা। হিংসা নয়, চেষ্টা করো”, যা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে একপ্রকার খোঁচা দিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। এই টিফোতে আরও ছিল এক বিশেষ বার্তা, যেখানে লেখা ছিল, “ভিনি, ভিডি, ভিসি”, অর্থাৎ, “এসো, দেখো, জয় করো”।
এছাড়া, আরেকটি টিফোয় মোহনবাগান সমর্থকরা নিজেদের হাস্যরসাত্মক আক্রমণ চালিয়েছিলেন। সেখানে লেখা ছিল, “রসগোল্লার মতো শিল্ডটাও আমাদের।” এটি ছিল আদতে ওডিশা এবং তাদের শিল্ড জয় নিয়ে একটি খোঁচা। মোহনবাগান ক্লাবের ইতিহাসে এটি একটি বিশেষ দিন ছিল, যেখানে নিজেদের শিরোপা জয়ের আনন্দে সমর্থকরা প্রতিবেশী ক্লাবগুলোকেও ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় কটাক্ষ করেছেন।
মোহনবাগান সমর্থকদের ঐতিহ্যগতভাবে টিফো এবং সমর্থন প্রদানের মাধ্যমে তাঁদের উচ্ছ্বাস এবং আবেগের প্রকাশ ঘটানো হয়। এবারও, প্রতিপক্ষকে খোঁচা দেওয়ার সাথে সাথে, গ্যালারিতে চমৎকার আর্টওয়ার্ক ও বার্তা দিয়ে সমর্থকরা দেখিয়েছে তাদের অটুট ভক্তি এবং দলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। এমনকি, জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে এক ম্যাচে ১২ হাজার ৬০০ স্কোয়ার ফুটের বিশাল টিফো তুলে তারা এশিয়ার সবচেয়ে বড় টিফোর রেকর্ড গড়েছিল। এই ধরনের উদ্ভাবনী টিফো ব্যবহার ক্লাবটির ফুটবল সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কিন্তু এই সাফল্য শুধু ফুটবল মাঠের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়, ক্লাবটির সমর্থকদের মাঝে একটি ঐতিহাসিক ভাবাবেগের জন্ম দিয়েছে। মোহনবাগান সমর্থকরা সেই ঐতিহ্য বজায় রেখে নিজেদের জয়ের উৎসবে সৃষ্টিশীল এবং হাস্যকর টিফো ব্যবহারের মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণ করেছে যে, তারা শুধুমাত্র ফুটবল খেলার পরিসরে নয়, বরং সমর্থক সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও এক বিপ্লব ঘটিয়েছে।
Team of the Week: জয়ের ধারা বজায় রেখেই এবারের ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। রবিবার সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনায়াসেই তাঁরা পরাজিত করেছে হুগো বুমোসদের ওডিশা এফসিকে। যারফলে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহ করে এবারের আইএসএলের লিগ শিল্ড ঘরে তুলেছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। সেই ঘোর এখনও কাটেনি সবুজ-মেরুন সমর্থকদের। এই নিয়ে টানা দুইটি সিজনে আইএসএলের … Read more
বাংলা ফুটবল জগতের অন্যতম দুই প্রধান ক্লাব, ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) ও মোহনবাগান (Mohun Bagan SG), প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সম্মানিত করে আসছে। মাঠের মধ্যে যেমন চলে তীব্র প্রতিযোগিতা, তেমনি মাঠের বাইরে আসে সৌজন্য ও শ্রদ্ধার বার্তা। এই ঘটনা প্রমাণ করে ফুটবল শুধু শারীরিক শক্তির খেলা নয়, সুসম্পর্ক এবং মানসিকতারও প্রতীক। মাঠে চলা যুদ্ধ যেমন দুই দলের ভক্তদের হৃদয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে, তেমনি মাঠের বাইরে সেই সম্পর্কের সৌজন্য বার্তা পুরনো দিনের রীতি অনুযায়ী চিরকালই ফুটবলের এক অংশ হয়ে থাকে।
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ২০২৪-২৫ মরসুমে (ISL 2024-25 Session) শিল্ড জয়ের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বার লিগ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন (ISL Shiled Champion) হয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG)। সোমবার মোহনবাগানকে শুভেচ্ছা (Congratulation) জানাতে বাগান তাঁবুতে উপস্থিত হয়েছিলেন লাল-হলুদের কর্মকর্তারা (East Bengal FC)। পুষ্পস্তবক ও মিষ্টির (Flowers and Sweets) হাঁড়ি তুলে দেওয়া হয় পড়শি ক্লাবের হাতে। ই সৌজন্য এবং শোভন আচরণ ফুটবল জগতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ক্লাবগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের মাধুর্য প্রকাশ করে।
East Bengal Club officials came to Mohun Bagan Club with sweets and flowers to congratulate the biggest club of India ???????????? pic.twitter.com/JgItlmHkrP
এই ঘটনার মাধ্যমে মাঠের বাইরের ফুটবলের চিত্রটিও সবার কাছে পরিষ্কার হয়ে ওঠে। ফুটবল খেলার চূড়ান্ত প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে কখনও কখনও ক্লাবগুলো একে অপরকে শত্রু হিসেবে দেখতে পায়। তবে এই ঘটনাটি ফুটবলের এক বিশেষ দিককে সামনে আনে, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা সত্ত্বেও, ক্লাবগুলোর মধ্যে সৌজন্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকে। বিশেষত, ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ডার্বি মানে ঐতিহ্যের লড়াই, তবে এর বাইরেও এই ক্লাবগুলো একে অপরকে সম্মান জানাতে পিছপা হয় না।
এছাড়া, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ইতিহাসও এই ধরনের সৌজন্যের নজির সমৃদ্ধ। গত বছর, আইএসএল কাপ জয়ী মুম্বই সিটি ক্লাবকেও মধ্যরাতে শুভেচ্ছা জানিয়েছিল তারা। এই ধরনের মনোভাব এবং আচরণ ফুটবল জগতে নতুন এক দৃষ্টিকোণ তৈরি করে, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সম্মান একসাথে থাকতে পারে।
অবশ্য, কিছু সমর্থক এই সৌজন্য দেখে মনে করেছেন যে, যদি দলগঠন নিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব আরও তৎপরতা দেখাত, তাহলে তারা হয়ত আরও ভালো ফলাফল পেতে পারত। বর্তমান সময়ে, যেখানে ইস্টবেঙ্গল প্লে অফে টিকে থাকার জন্য লড়াই করছে, সেখানে এই ধরনের সৌজন্য বার্তা কিছুটা মিষ্টির মতো মনে হলেও, ক্লাবের ভবিষ্যতের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী পদক্ষেপ প্রয়োজন।
মোহনবাগান যে অদম্য মনোভাব দেখিয়ে শিরোপা জিতেছে, তা তাদের সমর্থকদের কাছে উৎসবের মতো। এভাবেই, ফুটবল মাঠে এবং মাঠের বাইরে সম্পর্কের সৌজন্য বার্তা অব্যাহত থাকবে এবং এই সম্পর্কের উন্নয়নই দুদুই ক্লাবের মধ্যে ঐতিহ্য এবং সম্পর্কের মাধুর্য বজায় রাখবে।
সপ্তাহের শেষ দিনেই নয়া রেকর্ড সৃষ্টি করেছে মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। শক্তিশালী ওডিশা এফসিকে নিজেদের ঘরের মাঠে পরাজিত করে আইএসএলের শিল্ড ঘরে তুলেছে কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। বর্তমানে সেই নিয়েই মাতোয়ারা আপামর বাগান জনতা। যারফলে এই নিয়ে টানা দুইবার এই খেতাব ঘরে তুলল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। পাশাপাশি ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহ করে … Read more
গত রবিবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (ISL 2024-25 Session) ম্যাচে ঘরের ওডিশাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে লিগ শিল্ড (ISL Shiled) নিশ্চিত করেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG)। টানা দ্বিতীয়বার লিগ শিল্ড শিরোপা জিতে ভারতীয় ফুটবলে ইতিহাস গড়ে ফেলেছে শুভাশীষ-লিস্টনরা। প্রথম দল হিসেবে নিজেদের শিল্ড ধরে রাখার কৃতিত্ব অর্জন করেছে তারা। এই জয়ের পর বাগান সমর্থকরা পৃথিবীর সবচেয়ে খুশি সমর্থক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান কোচ (Coach) হোসে মোলিনা (Jose Molina)। মোলিনার নেতৃত্বে, এই মরসুমে এখন পর্যন্ত ৫২ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে দল। যদিও এখনও দুই ম্যাচ বাকি রয়েছে। এমন সাফল্য মোহনবাগানকে ইতিহাসের পাতায় এক অনন্য জায়গায় স্থাপন করেছে।
এই মরসুমে দলের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য রেকর্ড হয়েছে। এক মরসুমে সবচেয়ে বেশি জয় (১৬), সর্বোচ্চ পয়েন্ট (৫২) এবং সবচেয়ে বেশি ক্লিন শিট (১৪টি) সহ একের পর এক রেকর্ড গড়েছে তারা। কোচ মোলিনা বলেছিলেন, “১৬ জয় এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমি সবাইকে, বিশেষত আমাদের সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের লক্ষ্য হল সমর্থকদের খুশি করা, তারা পৃথিবীর সবচেয়ে খুশি সমর্থকরা।”
বাগান ব্রিগেডের রক্ষণ ছিল এই সিজনের মূল শক্তি। ২২টি ম্যাচে তারা মাত্র ১৪ গোল হজম করেছে, যা এবারের আইএসএল মরসুমে এক অসাধারণ রেকর্ড। দলের গোলকিপার বিশাল কাইথ এখন পর্যন্ত ৫০ ক্লিন শিটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন, যা আইএসএল ইতিহাসে প্রথম। কাইথ এখন গোল্ডেন গ্লাভের দৌড়ে দুই গুণ বেশি শাটআউট নিয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছেন।
ঘরের মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স:
এবারের মরসুমে মোহনবাগান তাদের ঘরের মাঠে ১০ ম্যাচে জয় লাভ করেছে, যা আইএসএল ইতিহাসে কোনো এক মরসুমে সবচেয়ে বেশি জয়। তারা সবচেয়ে বেশি গোলও করেছে, ৪৩টি গোলের মধ্যে ১৯ সেট-পিস থেকে এসেছে, যা আইএসএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। দলের ফরোয়ার্ড, মিডফিল্ডার ও ডিফেন্ডাররা যৌথভাবে আক্রমণাত্মক খেলা উপস্থাপন করেছেন, এদিকে তাদের এয়ারিয়াল ডুয়েল জয়ের সাফল্যও ইতিহাসের শীর্ষে।
দলের প্রতিটি সদস্যের অবদান:
মোহনবাগানের এই মরসুমে প্রতিটি খেলোয়াড়ই অবদান রেখেছেন। ডিফেন্ডাররা আক্রমণে অত্যন্ত কার্যকরী ছিলেন, ১৪টি গোল এসেছে তাদের থেকেই। দলের অধিনায়ক শুভাশীষ বোস ছটি গোল করেছেন, যা মোহনবাগানের ইতিহাসে এক ডিফেন্ডারের করা সর্বোচ্চ গোল।
আইএসএল কাপের দিকে নজর:
এই মরসুমে মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের লক্ষ্য আরও বড়। তারা গত মরসুমে আইএসএল কাপের ফাইনালে পরাজিত হয়েছিল, তাই এবার তারা কোচ মোলিনার নেতৃত্বে আইএসএল কাপ জয়ের জন্য প্রস্তুত। মোলিনা বলেন, “আমরা এই সিজনের দুটি ম্যাচ জিততে চাই এবং আইএসএল কাপের (ISL Cup) প্রস্তুতি শুরু করেছি। মরসুমে শেষ হওয়ার আগেই আমাদের লক্ষ্য সেমিফাইনাল, সম্ভবত ফাইনাল এবং সুপার কাপও।”
এখন তারা মার্চের ১ তারিখে মুম্বই সিটি এফসির বিপক্ষে তাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে তাদের লক্ষ্য থাকবে আরও এক জয় অর্জন। এই সিজনে কলকাতা ময়দানের এই প্রধান এক অসাধারণ দলগত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। কোচ হোসে মোলিনার নেতৃত্বে তারা সফলভাবে নিজেদের শিল্ড রক্ষা করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাদের এই সাফল্য শুধুমাত্র এক ক্লাবের জন্য নয়, বরং ভারতের ফুটবল ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা।
গত কেরালা ম্যাচের পর বজায় থাকল জয়ের ধারা। রবিবার সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দিয়াগো মাউরিসিওদের ওডিশা এফসিকে পরাজিত করল মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। তবে শুধু ম্যাচ জয় করাই নয়। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পয়েন্ট নিয়ে পুনরায় শিল্ড ঘরে তুলে নিল কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। এদিন ঘরের মাঠে ম্যাচ থাকায় প্রথম থেকেই যথেষ্ট দাপুটে মেজাজে দেখা গিয়েছিল সবুজ-মেরুন ফুটবলারদের। মনবীর সিং থেকে শুরু করে দীপক টাংড়ি হোক কিংবা জেমি ম্যাকলারেন। একাধিকবার গোলের সহজ সুযোগ করে নিয়েছিলেন প্রত্যেকে।
কিন্তু কিছুতেই ফিনিশ করা সম্ভব হচ্ছিল না তাঁদের পক্ষে। এক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রতিপক্ষের তারকা ডিফেন্ডার মুর্তাজা ফল এবং গোলরক্ষক অমরিন্দর সিং। বিশেষ করে প্রথমার্ধের শেষ লগ্নে ওডিশার রক্ষণভাগে হানা দিয়ে গোলের মুখ খোলার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন স্কটিশ ফরোয়ার্ড গ্ৰেগ স্টুয়ার্ট। কিন্তু কাজের কাজ করতে পারেনি তিনি। বরং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছিলেন ওডিশার গোলরক্ষক। স্বাভাবিকভাবেই অমীমাংসিত ফলাফলে শেষ হয় ম্যাচের প্রথমার্ধ। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই প্রবল চাপ বাড়াতে শুরু করে বাগান ব্রিগেড।
তবে কিছুতেই গোলের মুখ সম্ভব হচ্ছিল না। নির্ধারিত নব্বই মিনিটের পরে ও অপরিবর্তিত ছিল ম্যাচের ফলাফল। কিন্তু কথায় আছে। ওস্তাদের মার শেষ রাতে। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের মধ্যেই ভারতীয় তারকা মনবীর সিংয়ের পাস থেকে বল নিয়ে সোজা ওডিশার রক্ষণভাগে ঢুকে পড়েন অজি তারকা দিমিত্রি পেত্রাতোস। তাঁর দুরপাল্লার শট পোস্টের গা ঘেঁষে চলে যায় জালের মধ্যে। তাঁর গোলেই এবার শিল্ড জয় করে মেরিনার্সরা। বলাবাহুল্য, এই সিজনের শুরুটা দিমিত্রি পেত্রাতোসের জন্য খুব একটা ইতিবাচক না থাকলেও আইএসএলের শেষ লগ্নে এসে দুরন্ত ছন্দে ধরা দিয়েছেন তিনি। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি সকলেই।
পাশাপাশি দলকে দ্বিতীয়বার শিল্ড জয়ী করতে পারে খুশি বাগান অধিনায়ক শুভাশিস বসু। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “মোহনবাগান ট্রফি জেতার জন্য খেলে। মরসুমের শুরু থেকেই ম্যানেজমেন্টের যে মেন্টালিটি সেটা এক কথায় অনবদ্য। ম্যানেজমেন্ট আমাদের বোঝায় যে ট্রফি জিততে হবে। তাছাড়া মোহনবাগানে যে সমস্ত খেলোয়াড়রা আসে তাঁরা ট্রফি জেতার মানসিকতা নিয়েই আসে। এখনও পর্যন্ত আমরা প্রায় ১৯০ দিন ট্রেনিং করেছি। এবং মাঠে কঠোর পরিশ্রম করেছি। যার ফল আজ আমরা পেয়েছি। আমাদের পরবর্তী টার্গেট থাকবে আইএসএল ট্রফি জেতা। আজকে আমরা আনন্দ করবো। তারপর আবার আমরা পরবর্তী ম্যাচের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করবো।”
গত রবিবারের রাত ভারতীয় ক্রীড়াজগতের জন্য এক অবিস্মরণীয় রাত হয়ে থাকবে। একদিকে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের নজর ছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের (Mohun Bagan SG) গুরুত্বপূর্ণ আইএসএল ম্যাচে, অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) তে চলছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের হাইভোল্টেজ ক্রিকেট ম্যাচ। মোহনবাগান ওডিশার বিরুদ্ধে দিমির করা শেষ মুহূর্তের গোলে শিল্ড ছিনিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে ভারত ৬ উইকেটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিতে … Read more
মোহনবাগান এসজি (Mohun Bagan SG)-র ফরোয়ার্ড দিমিত্রিওস পেট্রাটোস (Dimitrios Petratos) শিল্ড জেতার (Shield victory) লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তে নেমে বাজিমাত করে দিয়েছেন। তার একমাত্র করা গোলে শিল্ড জেতে সবুজ-মেরুন শিবির। তাই ম্যাচ শেষের নায়ক সমর্থকদের নয়নের মণি দিমি। যদিও এই মরসুমে তার পারফরম্যান্স নিয়ে কিছু সমালোচনা হয়েছে, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান ফরোয়ার্ড তার দৃঢ়তা এবং সংকল্পের সঙ্গে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে পেট্রাটোস বলেন, “এটা ফুটবলের অংশ, এটা জীবনের অংশ। এমনই হয়। আমি শুধু মাঠে নামলাম এবং প্রতিবারের মতো আমার সেরা চেষ্টা করেছি, শেষমেশ সেই জয়ী গোলটি পেলাম। তবে পুরো ৯০ মিনিটের জন্য দলের সকল খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব যায়। আমরা খুব পরিশ্রম করেছি, এবং শুধু আজকের ম্যাচেই নয়, পুরো মরসুম জুড়ে আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি।”
খেলার সঠিক মুহূর্তে থাকা
পেট্রাটোস যখন ৭৮ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন, তখন তিনি সময়কে প্রভাবিত হতে দেননি। “আমি সময় দেখে কিছু ভাবিনি। আমি নিজেকে বলেছিলাম, যদি এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাই, সেটি একটি সুযোগ। তাই আমি আমার পাওয়া সময়টুকু সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি।”
পেট্রাটোস তার গোল নিয়ে বলেন, “গত দুই মাসে আমি কতটা খেলেছি? আমি ছোটোখাটো চোটে ভুগেছি। তবে এটা জীবনের অংশ, আপনি কখনোই হাল ছেড়ে দিতে পারেন না। গত দুই মাস আমার জন্য ব্যর্থতা ছিল না, আপনি তখনই ব্যর্থ হন যখন আপনি কাজ করা বন্ধ করেন। আমি কখনোই হাল ছাড়িনি, আর সেটা আমার জন্য ফলপ্রসূ হয়েছে।”
সমর্থকরা পুরো সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে দিমিকে শুভেছাবার্তায় ভরিয়ে দেয়।
মোহনবাগান এখনো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের জন্য লড়াই করছে। পেট্রাটোস বলেন, “এটা ফুটবলের অংশ—আপনি সবসময় জয়ের জন্য খেলেন। এটা শুধু গত ম্যাচের ব্যাপার নয়, আমরা প্রতিটি ম্যাচেই জেতার চেষ্টা করি। এখনো অনেক পথ বাকি, আমরা আজ রাতটা উপভোগ করব, কিন্তু আমাদের সামনে দুটি ম্যাচ এবং তারপর সেমি-ফাইনাল, আশা করি ফাইনালে পৌঁছাব। আমরা আমাদের সেরাটা দেব এবং জয় নিয়ে ফিরব।”
গোলটি তার ক্যারিয়ারের শীর্ষে
পেট্রাটোস তার ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গোল হিসেবে এই গোলটি শীর্ষ তিনে স্থান দিয়েছেন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, এটি অবশ্যই শীর্ষ তিনে থাকবে, বিশেষত খেলার অনুভূতির কারণে। আপনি দেখেছেন কিভাবে আমি দর্শক এবং আমার সতীর্থদের সাথে উদযাপন করেছি। আমি এই গোলটি আমার পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই—আমার স্ত্রী এবং সন্তানদের, আমার বাবা-মা, ভাই-বোন এবং দাদু-দিদাকে। আমার দাদু প্রায়ই আমাকে জিজ্ঞেস করতেন কেন আমি গোল করছি না, তাই এই গোলটি তার জন্য।”
খেলা শেষে চোখে জল নিয়ে সতীর্থদের জরিয়ে ধরেন দিমি। সমর্থকদের উদ্দ্যেশে দেন ভালোবাসা।
শিল্ড জয়ের পর এখন মোহনবাগান চ্যাম্পিয়নশিপে মনোনিবেশ করেছে এবং তারা দ্বৈত শিরোপা জয়ের জন্য লড়াই করছে। পেট্রাটোস এমন একটি খেলোয়াড় হিসেবে তার নাম প্রতিষ্ঠিত করেছেন যেখানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গোল করে দলের জন্য প্রয়োজনীয় পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম। তার নাম ভবিষ্যতে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
২০২৪-২৫ সালের ভারতীয় সুপার লিগ (ISL) শিল্ড জিতেছে মোহন বাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG) । রবিবার কলকাতার সল্ট লেক স্টেডিয়ামে ওডিশা এফসি’কে ১-০ গোলে পরাজিত করে শিল্ড নিশ্চিত করে তারা। ডিমিত্রি পেট্রাটোসের ৯৩ মিনিটে করা শেষ মুহূর্তের গোলটি তাদের শিল্ড জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে আসে। জেতার পর মুখে হাসি নিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন কোচ হোসে মোলিনা (Jose Molina)।
ম্যাচ শেষে কোচ হোসে মোলিনা বলেন, “আজকের ম্যাচে জয় পেয়ে আমি অভিভূত। আমরা আরও গোলের প্রাপ্য ছিলাম, কিন্তু ফুটবল সবসময় এমন হয় না। শেষ মুহূর্তে গোলটি আসে এবং ডিমি পেট্রাটোস দুর্দান্ত শট নিয়ে সেই শিল্ড জেতানো গোলটি করেছে, সে সত্যিই এই গোলের যোগ্য ছিল। আমি মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা এবং ম্যানেজমেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা আমার ওপর বিশ্বাস রেখে আমাকে মোহনবাগান কোচ হিসেবে নিয়োগ করেছেন। আমি আমার কোচিং স্টাফদেরও ধন্যবাদ জানাই, কারণ আমি একাই কিছু করতে পারতাম না। সব সাপোর্ট স্টাফ আমার সঙ্গে একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন এবং এই দুর্দান্ত খেলোয়াড়দের ছাড়া কিছুই সম্ভব হত না।”
মোলিনা আরও বলেন, “তারা অনেক পরিশ্রম করেছে, আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছে এবং কঠোর পরিশ্রম করেছে। তারা শিল্ড জিততে যে কাজটি করেছে তা অসাধারণ। আমাদের এখনও দুটি ম্যাচ বাকি, আমরা ২২ ম্যাচের মধ্যে ১৬টি জয়, ১৪টি ক্লিন শিট এবং মাত্র দুটি হার নিয়ে চ্যাম্পিয়ন। এটা অবিশ্বাস্য এবং আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আমি সবসময় বলেছি, আমাদের কাজ হচ্ছে ফ্যানদের খুশি করা এবং আজ তারা পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী ফ্যান। আমি তাদের জন্য খুশি এবং তাদের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ।”
পরিবর্তন নিয়ে কোচের মন্তব্য
মোলিনা ম্যাচের শেষ মুহূর্তে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করেন, যা দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখে। তিনি টম অলড্রেড ও গ্রেগ স্টুয়ার্টকে তুলে দিয়ে পেট্রাটোস এবং জেসন কামিংসকে মাঠে নামান এবং ৩-৪-৩ ফরমেশন গ্রহণ করেন। এ সম্পর্কে কোচ বলেন, “আমি ম্যাচ চলাকালীন ভাবছিলাম, আমাদের মিডফিল্ডে আপুইয়া এবং টাঙ্গরিকে রাখতে হবে। গ্রেগ স্টুয়ার্ট জায়গা ধরে রাখার ক্ষেত্রে বেশি সাহায্য করতে পারবে, কিন্তু যদি গোল দরকার হয়, তাহলে পেট্রাটোস এবং কামিংস বেঞ্চ থেকে মাঠে নামলে তাদের গোল করার সম্ভাবনা বেশি।”
তিনি আরও বলেন, “দ্বিতীয়ার্ধে আমরা আধিপত্য বিস্তার করেছি, প্রথমার্ধ ছিল ৫০/৫০, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আমরা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ছিলাম। আমি খেলোয়াড়দের বলেছিলাম, ‘আমরা ম্যাচটি জিতব, আমরা ম্যাচটি জিতব!'”
শিল্ড জয়ের গুরুত্ব
হোসে মোলিনা বলেন, “এটি একটি বিশেষ মুহূর্ত, দুইটি আলাদা শিরোপা জেতা আমার জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমার পিতামাতার মধ্যে একটি বাছাইয়ের মতো, কোনটি বেশি প্রিয়? আমাদের লক্ষ্য সবসময় শিরোপা জেতা। যখন একটি শিরোপা জিতি, তখন আমি সবচেয়ে বেশি শান্ত বোধ করি। আমি এখন শান্ত, কাজ শেষ, তাই এখন আমি এটি উপভোগ করছি।”
মোহনবাগান এখন আইএসএল শিল্ড জিতে সেমি-ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে এবং তারা ২ মার্চ মুম্বই সিটি এবং ৮ মার্চ এফসি গোয়ার বিপক্ষে তাদের শেষ দুটি ম্যাচ খেলবে।
গত রবিবার সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ইতিহাস। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের শিল্ড নির্ণায়ক ম্যাচে শক্তিশালী ওডিশা এফসির বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG)। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে দিমিত্রি পেত্রাতোসের করা একটিমাত্র গোলেই শিল্ড সুনিশ্চিত করে ফেলে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। যারফলে টানা দুইটি আইএসএল মরসুমে লিগ শিল্ড জয় করল কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি আপামর বাগান জনতা। যারফলে আবার ও এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে গেল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।
দলের এমন পারফরম্যান্স নিয়ে যথেষ্ট খুশি মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। দলের এই সাফল্যের কিছু সময় পরেই নিজের সোশ্যাল সাইটে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন বাগান কর্তা। পাশাপাশি ওডিশা ম্যাচের পর চ্যাম্পিয়ন টি শার্ট পড়ে দলের ফুটবলারদের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত থাকার একটি ছবি ও আপলোড করেন। সেইসাথে তিনি লেখেন, “আজ আমি প্রচন্ড গর্বিত এবং আবেগপ্রবণ। দ্বিতীয়বারের মতো আমরা আইএসএলের লিগ শিল্ড জয় করলাম। বলতে গেলে এটা একটা রেকর্ড ভাঙার মরসুম। একটা সিজনে সর্বাধিক পয়েন্টের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি জয় এসেছে। তাঁর সাথেই রয়েছে ১৪টি ক্লিনশিট। আমাদের এই জয়, এই সকল মুহূর্ত গুলি মোহনবাগানের প্রতি ভালোবাসার প্রমাণ বহন করে।”
আর ও বলেন, “আমাদের দলের সকল ফুটবলাররা সব সময় নিজেদের সেরাটা মাঠের মধ্যে উজাড় করে দিয়েছে। এবং সকল মেরিনার্সরা সব সময় দলের পাশে থেকেছেন। দলের প্রতিটি চড়াই উতরাইয়ের ক্ষেত্রে সমর্থন করেছেন। এই জয় তোমাদের জন্য। ধন্যবাদ মেরিনার্স।” তাঁর এমন টুইট নিঃসন্দেহে মন জয় করেছে আপামর সবুজ-মেরুন জনতার। এবার এই জয়ের ধারা বজায় রেখেই আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের।
Today, I feel both proud and emotional. The @IndSuperLeague Shield is ours – for the second time in a row!
A record-breaking season – most points in an ISL season, most-ever wins in a season, 14 clean sheets. These victories, these moments, and the unwavering love for… pic.twitter.com/v2TWskVUHa
আগামী ১লা মার্চ অ্যাওয়ে ম্যাচে পেট্র ক্র্যাটকির শক্তিশালী মুম্বাই সিটি এফসির বিপক্ষে খেলতে নামবে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এই ম্যাচে ও জয় পাওয়ার লক্ষ্য থাকবে শুভাশিস বসু থেকে শুরু করে জেমি ম্যাকলারেনদের।
শিল্ড থাকল কলকাতাতেই। গত সিজনের মত এবারও ইন্ডিয়ান সুপার লিগের লিগ শিল্ড জয় করল মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। মুম্বাই সিটি এফসির সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও সময় এগোনোর সাথে সাথেই অনবদ্য ছন্দে ধরা দেয় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। যত সময় এগিয়েছে ততই ভয়ানক হয়েছে শুভাশিস বসু থেকে শুরু করে জেমি ম্যাকলারেনরা। যারফলে বাকি দলগুলির ধরা ছোঁয়ার বাইরে যেতে খুব একটা সমস্যা হয়নি, ময়দানের এই প্রধানের। বিশেষ করে গত অ্যাওয়ে ম্যাচে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিপক্ষে সহজ জয় আসার পর শিল্ড সুনিশ্চিত করার থেকে মাত্র এক পা দূরে ছিল মোহনবাগান।
যারফলে পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখলে শেষ তিনটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জয় আসলেই নিশ্চিত হয়ে যেত লিগ শিল্ড। সেটাই হল এবার। রবিবার সন্ধ্যায় সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সার্জিও লোবেরার শক্তিশালী ওডিশা এফসির বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল জোসে মোলিনার মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। নির্ধারিত সময়ের শেষে একটি গোলের ব্যবধানে জগন্নাথের রাজ্যের এই ফুটবল ক্লাবের বিপক্ষে জয় সুনিশ্চিত করে মোহনবাগান। তবে ঘরের মাঠে ম্যাচ থাকলে ও এদিন গোলের মুখ খোলা খুব একটা সহজ ছিল না ম্যাকলারেনদের কাছে।
প্রতিপক্ষের আক্রমণাত্মক মনোভাব কিছুটা হলেও চাপে ফেলে দিয়েছিল সকলকে। তাছাড়া ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষের দিকে অজি বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন গোলের সুযোগ পেলেও অনায়াসেই পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিলেন অমরিন্দর সিং। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শেষে অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে মনবীর সিংয়ের পাস থেকে বল নিয়ে সোজা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে হানা দেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। সেখান থেকেই চলে আসে গোল। তারপর উভয় দলের তরফে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করা হলেও বদলায়নি খেলার ফলাফল। দলের এমন সাফল্যে যথেষ্ট খুশি মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত।
দলেরই সাফল্যের প্রসঙ্গে ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ” এই সাফল্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার। এছাড়াও দলের সকল ফুটবলারদের। পাশাপাশি ক্লাব এবং কোম্পানির সমন্বয়। আপনারা কখনও দেখবেন না কেউ কখনো বিভেদের কথা বলেছে। কিংবা ক্লাবের সঙ্গে কোম্পানির বিভেদ আছে। অন্য ক্লাবে যেগুলো নিয়মিত শোনা যায়। আমাদের ক্লাবে কোনও বিভেদ ছিল না। আমরা সবাই একসাথে কাজ করেছি। আমাদের কাজকর্ম সমস্ত কিছু একসাথে। এটাই সাফল্যের রসায়ন। কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডকে কীভাবে একসাথে নিয়ে চলতে হয় সেটা আমাদের কমিটি ভালো মতোই জানে। এক্সিকিউটিভ কমিটির সব থেকে বড় সাফল্য হল সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকে বুঝিয়ে এটিকে নাম সরিয়ে সুপার জায়ান্ট করা।”
আর ও বলেন, ” আগেরবার যখন হাবাসকে সরানো হয়েছিল তখন সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয়েছিল। কিন্তু হাবাসের পরিবর্তে জোসে মলিনার হাতে দলের দায়িত্ব দেওয়া যে সঠিক হয়েছে তা আজ প্রমাণিত হল। আশা করি এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। তাছাড়া দিমিকে নিয়ে অনেক কথা উঠেছিল। আজ সে নিজেকে প্রমাণ করেছে। এতে ওর আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়বে। মোহনবাগানে ট্রফি আসবে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা ট্রফি নিয়ে আসবেন।”
নয়া ইতিহাস সৃষ্টি করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG)। গতবারের মতো এবারও ইন্ডিয়ান সুপার লিগের লিগ শিল্ড জয় করল কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। রবিবার সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শক্তিশালী ওডিশা এফসিকে ১-০ গোলে পরাজিত করল মোহনবাগান। দলের হয়ে একটিমাত্র গোল করেন অজি তারকা দিমিত্রি পেত্রাতোস। তাঁর গোলেই এবার মরসুমের প্রথম ট্রফি নিশ্চিত করল মেরিনার্সরা। বলাবাহুল্য, … Read more
সূচি অনুযায়ী রবিবার সন্ধ্যায় ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (Indian Super League) হোম ম্যাচ খেলতে নেমেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG)। যেখানে তাঁদের লড়াই করতে হচ্ছে সার্জিও লোবেরার শক্তিশালী ওডিশা এফসির সঙ্গে। বলাবাহুল্য, এটি কোনও সাধারণ ম্যাচ নয়। বলতে গেলে মোহনবাগানের জন্য লিগ শিল্ড জয়ের ম্যাচ। গত কেরালা ম্যাচের পর এই ম্যাচে জয় আসলেই চলতি আইএসএল … Read more
সার্জিও লোবেরা (Sergio Lobera) নেতৃত্বাধীন ওডিশা এফসি (Odisha FC) তাদের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করেছে। প্রতিপক্ষ মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট (Mohun Bagan SG)। বাগান শিবির তাদের ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শিল্ড জেতার লক্ষ্যে রয়েছে। অন্যদিকে লোবেরা বাহিনী তাদের কাঙ্খিত তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে আনার লক্ষ্যে রয়েছে। কোচ লোবেরা, মিডফিল্ডার রেনিয়ার ফার্নান্ডেসের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের হাজির হয়ে দলের প্রস্তুতি এবং মোহন বাগান সুপার জায়েন্টের অপ্রতিরোধ্য গতি থামাতে প্রয়োজনীয় দৃঢ় মানসিকতা নিয়ে কথা বলেছেন।
ওডিশা এফসির জন্য এই ম্যাচটি শুধুমাত্র মোহনবাগানের শিল্ড জয় টাকানো নয়, বরং তাদের টপ-সিক্সে প্রবেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাদের ভাগ্য এখন আর পুরোপুরি তাদের হাতে নেই, তাই প্লে-অফের আশা জীবিত রাখতে শেষ তিনটি ম্যাচে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে হবে। লোবেরা জানিয়েছেন, তাদের পক্ষে ট্যাকটিক্যাল ডিসিপ্লিন এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রয়োজন, কারণ একটি হার তাদের প্লে-অফ আশা আরও দূরে ঠেলে দিতে পারে।
সল্টলেকের মাঠে খেলতে আশাবাদী লোবেরা
মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের বিরুদ্ধে তাদের দুর্দান্ত রেকর্ড সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে, লোবেরা বলেছেন, অতীতের ফলাফল তার কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, তার একমাত্র লক্ষ্য বর্তমান। তিনি ওডিশা এফসি ক্যাম্পে ইতিবাচক পরিবেশের কথা উল্লেখ করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে এই গতি তারা পরবর্তী ম্যাচে ব্যবহার করতে পারবে।
লোবেরা বলেছেন, “একজন খেলোয়াড় হিসেবে, একজন কোচ হিসেবে আপনি সর্বদা এমন ঐতিহাসিক ম্যাচের জন্য উন্মুখ হয়ে থাকেন যেখানে প্রচুর দর্শক থাকে।”
ওডিশা কি মোহনবাগানের রক্ষণভাগকে ভাঙতে পারবে?
মোহনবাগানের শক্তিশালী রক্ষণভাগ এবং সহজ গোল খাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে লোবেরা বলেছেন, “এটা সবকিছুতে সঠিক ব্যালেন্স খুঁজে বের করার ব্যাপার। বড় ম্যাচে একটিও ভুল হতে পারে এবং সেটা আমাদের প্লে-অফ স্বপ্ন শেষ করতে পারে।”
লোবেরা বলেছেন এই ধরনের বড় ম্যাচে মনোযোগের অভাবই দলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই তিনি তার দলের প্রস্তুতিতে মনোযোগী হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং প্রতিটি আক্রমণাত্মক সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানোর লক্ষ্য রেখেছেন।
‘তিনটি ফাইনাল’ অপেক্ষা করছে লোবেরার জন্য
কলকাতার উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশে ওডিশা এফসি নিজেদের হারাবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে লোবেরা বলেছেন, “এমন ম্যাচগুলোই সব কোচ এবং খেলোয়াড়ের স্বপ্ন।” তিনি বলেছিলেন, ওডিশা এফসির পরবর্তী তিনটি ম্যাচকে তিনি একটি কাপ ফাইনালের মতো দেখছেন, যেখানে তাদের লক্ষ্য একমাত্র টপ-সিক্সে স্থান পাওয়া।
লোবেরা জানিয়েছেন তাদের সামনে একটি বিরল সুযোগ রয়েছে, যেখানে তারা মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের শিল্ড জয় ব্যাহত করতে পারে। তবে তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, “আমরা কেবল নিজেদের ওপরেই মনোযোগ দেব। তিনটি পয়েন্ট আমাদের প্লে-অফের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি নিশ্চিত, আমরা এই ম্যাচে আমাদের সেরাটা দেব।”