সোহিনী পোড়েল, কলকাতা: হাতে আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। তারপরই আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) ফাইনাল। মুখোমুখি হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ইতিমধ্যেই দুই দল আহমেদাবাদে পৌঁছে অনুশীলন করতে শুরু করে দিয়েছে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ভারতের কাছে ‘অপয়া’ হিসেবে পরিচিত। ২০২৩ সালে আহমেদাবাদে অস্ট্রেলিয়ার কাছে নতজানু হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। মন ভেঙে ছিল কোটি কোটি ভারতবাসীর। এখন দেখার এবার কি হয়! ভারত কি ‘অপয়া’-র তকমা ঘোচাতে পারবে নাকি বাজিমাত করবে কিউইরা! এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।
আরও পড়ুন: ফাইনালের আগে হুঁশিয়ারি স্যান্টনারের, ‘ট্রফি জিততে হৃদয় ভাঙতেও রাজি নিউজিল্যান্ড’
ফাইনালে নামার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বলেন, “ফাইনালের চাপ অবশ্যই রয়েছে। এটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। তবে চাপ না থাকলে মজা নেই। আমরা বিষয়গুলো সহজ রাখতে চাই। যেভাবে এতদিন খেলেছি, সেই ধারা বজায় রাখতে চাই। চাপ সামলানোর সবচেয়ে বড় উপায় নিজেকে শান্ত রাখা। অনুশীলনের সময়ই কঠিন পরিস্থিতির জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে হয়। ম্যাচে নামার আগে যদি অনুশীলনে সেই পরিস্থিতিগুলো মোকাবিলা করা যায়, তাহলে ম্যাচে চাপ সামলানো সহজ হয়।“ বরুণ চক্রবর্তীর পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেন, “ক্রিকেট ১১ জনের খেলা। এর মধ্যে কারওর দিন খারাপ গেলে অন্যরা সেটা সামলে দেয়। বরুণ বিশ্বের সেরা বোলারদের মধ্যে একজন। কীভাবে ম্যাচে ফিরে আসতে হয়, ও সেটা ভালো করেই জানে।“
আরও পড়ুন: ফাইনালে ‘ফ্লপ’ অভিষেক বাদ! ভরসা রাখার পরামর্শ কপিল-শাস্ত্রীর
ভারত অধিনায়ক আরও বলেন, “পিচ যেমন আচরণ করবে, সেভাবেই খেলা হবে। ভালো স্কোরের জন্য ২০০-২৫০ রান দরকার। কিন্তু সবকিছু নির্ভর করবে উইকেটের উপর। এই দলে ব্যক্তিগত মাইলস্টোনের চেয়ে দলের লক্ষ্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেউ ১০০ রান করুক বা কেউ ৭ বলে ২০ রান করুক, অবদানটাই আসল দলের জন্য। খেলোয়াড়দের খুব বেশি নির্দেশ দিই না। ওরা নিজেদের ইচ্ছা মতো খেলুক। আমি ওদের স্বাধীনতা দিতে চাই।“




















