সোমবারেই উত্তর দিতে হবে! কমিশনকে নোটিস আদালতের

নয়াদিল্লি: সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে (Supreme Court) (বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিপুল এম পঞ্চোলি সহ) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত হয়ে সওয়াল ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
supreme-court-notice-election-commission

নয়াদিল্লি: সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে (Supreme Court) (বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিপুল এম পঞ্চোলি সহ) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত হয়ে সওয়াল করলেন। তিনি নিজের দায়ের করা মামলায় (আইটেম নম্বর ৩৭) সরাসরি আর্গুমেন্ট পেশ করার অনুমতি পেয়ে তিনটি মূল বিষয় তুলে ধরলেন, যা গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভকে স্পর্শ করছে।

প্রথমত, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি (যৌক্তিক অসঙ্গতি) ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত ১.৩৬ কোটিরও বেশি ভোটারের কারণ স্পষ্ট করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। মমতা বললেন, নামের বানানের ছোট ভুল, বিবাহের পর সারনেম পরিবর্তন, বাড়ি বদল বা পুরনো তালিকার সঙ্গে মিল না হওয়া এসব সাধারণ জীবনের ঘটনাকে ‘অসঙ্গতি’ বলে চিহ্নিত করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে।

   

‘আমরা বিচার পাচ্ছি না’, সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল খোদ মমতার

এতে বয়স্ক, অসুস্থ ও দূরের গ্রামের মানুষরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি দাবি করলেন, এই প্রক্রিয়া মূলত নাম মুছে ফেলার জন্য, নতুন নাম যোগ করার জন্য নয়।দ্বিতীয়ত, মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড বা অন্যান্য স্কুল-কলেজের সার্টিফিকেটকে প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। মমতা অভিযোগ করলেন, কমিশন এসব নথি অগ্রাহ্য করছে, যা ভোটারদের অধিকার লঙ্ঘন।

তিনি বললেন, উপলব্ধ নথি দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশোধন করা উচিত, শুনানিতে ডেকে পাঠানো নয়।তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ ৮,৩০০ মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ। মমতা বললেন, এই নিয়োগ রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা ছাড়াই করা হয়েছে, এবং এরা সাংবিধানিকভাবে কোনও স্বীকৃত পদ নয়।

তিনি দাবি করলেন, এরা বিজেপি-শাসিত রাজ্য থেকে আনা হয়েছে এবং SIR প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পেয়েছে, যা ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের (ERO) ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। এতে প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ ও পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে পড়েছে।মমতার সওয়াল শেষ হওয়ার পর আদালত নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করল।

বিশেষ করে মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের বিষয়ে কমিশনকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। বেঞ্চ বলল, “এই বিষয়ে আপনাদের অবস্থান জানতে চাই।” আদালত আরও নির্দেশ দিল যে, সোমবারের মধ্যে (অর্থাৎ আগামী সোমবার) কমিশনকে লিখিত জবাব দিতে হবে। এছাড়া, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা পোর্টালে আপলোড না হওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিচারপতিরা। আদালত বলল, ভোটার মুছে ফেলা বন্ধ রাখতে হবে যতক্ষণ না সব শুনানি শেষ হয়, এবং প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে হবে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google