রাজ্যকে বেকায়দায় ফেলে ডি এ মেটাতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত ডিএ (DA Verdict) মামলার রায় ঘোষণা শুরু হল। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় পাঠ করা শুরু করেন বিচারপতি সঞ্জয় ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
dy-chandrachud-bail-remarks-sedition-controversy

অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত ডিএ (DA Verdict) মামলার রায় ঘোষণা শুরু হল। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় পাঠ করা শুরু করেন বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আদালত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে বকেয়া ডিএ মেটাতেই হবে, এবং তা এরিয়ার সহ।

এজলাসে রায় ঘোষণার সময় বিচারপতিরা পয়েন্ট ধরে ধরে তাঁদের (DA Verdict) পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। আদালত জানায়, ডিএ কোনও দয়া বা অনুগ্রহ নয়, এটি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার। মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মচারীদের আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই ডিএ দেওয়া হয়, (DA Verdict) এবং সেই কারণে এটি আটকে রাখা যায় না। রাজ্য সরকার আর্থিক সমস্যার যুক্তি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ বকেয়া রাখলেও, আদালতের মতে সেই যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।বিশেষ করে এই রায়ে বেকায়দায় রাজ্য সরকার। নানা টালবাহানা করে ডি এ(DA Verdict) দিতে চাইছিল না নবান্ন।

   

তবে বেঞ্চের পর্যবেক্ষণে স্পষ্টভাবে বলা হয়, রাজ্য সরকার তার কর্মচারীদের প্রতি সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব এড়াতে পারে না। ডিএ (DA Verdict) প্রদানের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করা যায় না বলেও আদালত মন্তব্য করে। বিশেষ করে যখন কেন্দ্রের কর্মচারীরা নিয়মিত হারে ডিএ পাচ্ছেন, তখন রাজ্যের কর্মচারীদের বঞ্চিত রাখা অসাংবিধানিক বলে উল্লেখ করা হয়। আদালত আরও জানায়, শুধুমাত্র বর্তমান ডিএ নয়, পূর্ববর্তী সময়ের বকেয়া ডিএ-ও পরিশোধ করতে হবে। এই বকেয়া অর্থ এরিয়ার সহ মেটাতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও কত দিনের মধ্যে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে, সেই সময়সীমা নির্ধারণ নিয়ে আদালত পর্যবেক্ষণ দিয়েছে, যা পরবর্তী নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google