সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: গত শনিবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগের চতুর্থ ম্যাচে নেমেছিল বেঙ্গালুরু এফসি ( Bengaluru FC)। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল কলকাতা ময়দানের তৃতীয় প্রধান তথা মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে একটি গোলের ব্যবধানে সেই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেয় আইএসএল জয়ী এই ফুটবল ক্লাব। দলের হয়ে গোল পেয়েছেন যথাক্রমে রায়ান উইলিয়ামস এবং আশিক কুরুনিয়ান। দ্বিতীয়ার্ধে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে মহিতোষ রায় গোল করে ব্যবধান কমালেও পরবর্তীতে আর ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত কিশোর ভারতী থেকে ৩ পয়েন্ট পকেটে নিয়েই মাঠ ছাড়ে রেনেডি সিংয়ের ছেলেরা।
এই ম্যাচে গোল না পেলেও যথেষ্ট সক্রিয়তা ছিল সুনীল ছেত্রীর। বয়স যে শুধু সংখ্যা মাত্র সেটা বারংবার প্রমাণ করে এসেছেন এই ভারতীয় তারকা। এদিনও তাঁর ব্যতিক্রম ছিল না। স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেন, ‘ প্রথমার্ধে একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েছিলাম। সেগুলো কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। না হলে অনায়াসেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে আমরা প্রথমার্ধ শেষ করতে পারতাম। তাহলে চাপ আরও অনেকটাই কম হতে পারত। তবে মহামেডান স্পোটিংয়ের কথা বলতেই হবে। আমরা গোল হজম করার পর যথেষ্ট চাপ বেড়ে গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করাটাই যথেষ্ট কৃতিত্বের।’
এছাড়াও এদিন কিশোর ভারতী ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের তরফে পরিবার প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠে আসলে ছেত্রী জানান, ‘ বাড়িতে অধিকাংশ বেঙ্গালুরু এফসি সমর্থক। শুধুমাত্র সুব্রত ভট্টাচার্য বাদে। আমার শাশুড়ি, স্ত্রী, সন্তান সকলেই বেঙ্গালুরুকে সমর্থন করে। বাবলুদা মোহনবাগান সমর্থক। সাহেব হয়তো ইস্টবেঙ্গলকে সমর্থন করে।’ পাশাপাশি নিজের ফিটনেসের রহস্যের কথাও জানান সুনীল ছেত্রী। এছাড়াও সুযোগ মতো নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা যে চালিয়ে যাবেন তিনি সেটাও নিশ্চিত করেন এই ভারতীয় ফুটবলার।
সূচি অনুযায়ী আগামী ১৪ই মার্চ কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে কলকাতা ময়দানের অন্যতম প্রধান তথা মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের মুখোমুখি হবে বেঙ্গালুরু এফসি। মহামেডান ম্যাচের পর এখন এই ম্যাচের দিকেই নজর থাকবে গুরপ্রীত সিং থেকে শুরু করে রায়ান উইলিয়ামসদের।




















