‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর জন্য বড় প্রস্তুতি, মিনি সাবমেরিন কিনবে নৌবাহিনী

‘আত্মনির্ভর ভারত’ অভিযানের অংশ হিসেবে নৌবাহিনী (Indian Navy) আবারও মিনি-সাবমেরিন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। উপকূলীয় এলাকা, দ্বীপ অঞ্চল এবং সংবেদনশীল সামুদ্রিক অঞ্চলে বিশেষ অভিযানের জন্য মিনি-সাবমেরিনগুলি ভারতীয় নৌবাহিনীকে একটি ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

‘আত্মনির্ভর ভারত’ অভিযানের অংশ হিসেবে নৌবাহিনী (Indian Navy) আবারও মিনি-সাবমেরিন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। উপকূলীয় এলাকা, দ্বীপ অঞ্চল এবং সংবেদনশীল সামুদ্রিক অঞ্চলে বিশেষ অভিযানের জন্য মিনি-সাবমেরিনগুলি ভারতীয় নৌবাহিনীকে একটি উল্লেখযোগ্য কৌশলগত সুবিধা দেবে। সূত্রমতে, প্রাথমিক পরিকল্পনা হলো দুটি সাবমেরিন কেনা, কিন্তু ভবিষ্যতে ভারতীয় নৌবাহিনী এই ধরনের পাঁচ বা তার বেশি মিনি-সাবমেরিন যুক্ত করতে পারে।

ভারতীয় নৌবাহিনী তাদের বিশেষ সামুদ্রিক অভিযান সক্ষমতা জোরদার করার জন্য দুটি মিনি-সাবমেরিন (মিজেট সাবমেরিন) অধিগ্রহণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। নৌবাহিনী বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এই সাবমেরিনগুলি নৌবাহিনীর বিশেষ বাহিনী, মার্কোস (মেরিন কমান্ডো), গোপন অভিযান, গোয়েন্দা মিশন এবং শত্রুপক্ষের পেছনে বিশেষ অভিযানের জন্য ব্যবহার করবে।

   

সূত্রমতে, এই মিনি-সাবমেরিনগুলো ‘সুইমার ডেলিভারি ভেহিকেল’ (এসডিভি) বা ‘স্পেশাল অপারেশনস ভেসেল’ (এসওভি) হিসেবে কাজ করবে। এগুলো মার্কোস কমান্ডোদের জলের নিচ থেকে নিঃশব্দে লক্ষ্যবস্তুর কাছে পৌঁছাতে, অভিযান পরিচালনা করতে এবং অলক্ষ্যে ফিরে আসতে সাহায্য করবে।

দুটি প্রধান জাহাজ নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে
এই প্রকল্পের জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীও দেশের দুটি প্রধান জাহাজ নির্মাণকারী সংস্থা – মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড (এমডিএল) এবং লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি) – এর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এমডিএল ‘অ্যারোভানা’ নামে একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে, অন্যদিকে এলঅ্যান্ডটি এসওভি-৪০০-এর নকশা করেছে। ইতালীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা ফিনকান্টিয়েরি এবং ড্রাস সহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় সংস্থার নকশাও বিবেচনা করা হচ্ছে। নৌবাহিনী এই বিদেশি ও দেশীয় বিকল্পগুলোকে তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অগভীর জলে অভিযান পরিচালনা এবং বিশেষ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করছে।

মিনি-সাবমেরিনগুলো কেমন?
মিনি-সাবমেরিনগুলো সাধারণ যুদ্ধ সাবমেরিনের চেয়ে অনেক ছোট হয়। এগুলোর ওজন ১৫০ থেকে ৫৫০ টনের মধ্যে হতে পারে এবং এগুলো ৮ থেকে ২০ জন কমান্ডো বহন করতে পারে। এগুলিতে রয়েছে স্বল্প-শব্দ প্রযুক্তি, উন্নত সেন্সর এবং অগভীর জলে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করার ক্ষমতা। ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার পর ভারতে এই ধরনের সাবমেরিনের প্রয়োজনীয়তা প্রথম অনুভূত হয়। তবে, ২০০৯ সালে শুরু হওয়া সংগ্রহ প্রক্রিয়াটি অসংখ্য প্রযুক্তিগত এবং অংশীদারিত্বগত প্রতিবন্ধকতার কারণে এগোতে পারেনি।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google