
হাতে আর মাত্র একটি ম্যাচ। তারপরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ঝাঁপিয়ে পড়বে ভারতীয় ক্রিকেট দল। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অনুশীলন ম্যাচ খেললেও প্রতিযোগিতামূলক লড়াই আর হাতে গোনা। এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ভারত শিবিরে এল এক বিরাট সুখবর। আইসিসি টি-২০ ব্যাটারদের ক্রমতালিকায় একলাফে পাঁচ ধাপ এগিয়ে গেলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav)।
১০ ফেব্রুয়ারির আগেই নাটক! বিশ্বকাপে নামবে তো পাকিস্তান?
নিউজিল্যান্ড সিরিজ শুরুর আগে পর্যন্ত সূর্যর ফর্ম ছিল টিম ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় চিন্তা। কিন্তু এই সিরিজেই কার্যত সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিলেন তিনি। তিন ম্যাচে তাঁর রান ৩২, ৮২ ও ৫৭। বিশেষ করে শেষ দুই ইনিংসে তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ২০০ রও বেশি। সেই ধারাবাহিক বিধ্বংসী পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেই আইসিসি ক্রমতালিকায় সূর্য এখন পঞ্চম স্থানে।
একসময় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে রাজত্ব করেছেন সূর্যকুমার। দীর্ঘদিন ছিলেন শীর্ষে। তবে গত কয়েক মাসের ছন্দপতনে নেমে যেতে হয়েছিল দশ নম্বরে। পরপর তিন ইনিংসের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সেখান থেকেই এল বিরাট প্রত্যাবর্তন। বিশ্বকাপের ঠিক আগে অধিনায়কের এমন ফর্ম টিম ম্যানেজমেন্টের কপালে চিন্তার ভাঁজ অনেকটাই মুছে দিল।
হঠাৎ অবসরের সিদ্ধান্ত! বিশ্বকাপের আগে এই তারকাকে নিয়ে চিন্তায় ভক্তরা
তবে সূর্যর থেকেও উপরে রয়েছেন ভারতের আরও দুই তারকা। এক নম্বরে ‘ফার্স্ট বয়’ অভিষেক শর্মা, যাঁর ধারেকাছে আপাতত কেউ নেই। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৯২৯। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফিল সল্টের থেকে ৯০ পয়েন্ট বেশি। তিন নম্বরে আরেক ভারতীয় তিলক বর্মা। দীর্ঘদিন চোটে ভুগলেও ৭৮১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি নিজের জায়গা শক্ত করে ধরে রেখেছেন।
প্রথম দশে আর কোনও ভারতীয় না থাকলেও উন্নতি হয়েছে আরও কয়েকজনের। শিবম দুবে ৬৪ থেকে উঠে এসেছেন ৫৮ নম্বরে, রিঙ্কু সিং এগিয়েছেন ৮১ থেকে ৬৮ নম্বরে। বোলিং বিভাগে এখনও ভারতের সেরা ‘ফার্স্ট বয়’ বরুণ চক্রবর্তী। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৭৮৭। তবে ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছেন আফগান স্পিন তারকা রশিদ খান, যাঁর পয়েন্ট ৭৩৭। ভারতীয় পেসারদের মধ্যে জসপ্রীত বুমরাহ রয়েছেন ১৩তম স্থানে।
আইএসএল শুরুর আগেই এই স্প্যানিশ তারকাকে নিয়ে সুখবর দিল চেন্নাই
সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপের ঠিক আগে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের ফর্মে ফেরা এবং র্যাঙ্কিংয়ে উত্থান ভারতীয় শিবিরে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের আগে এটাই যেন টিম ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।













