ডার্বি ম্যাচের টিকিট নিয়ে হাহুতাশ দুই প্রধানের সমর্থকদের

আগামী ২৮ আগস্ট ডুরান্ড কাপ টুর্নামেন্টের ‘হাই প্রেসার গেম’ মহাডার্বি ম্যাচ। শুক্রবার, ইমামি ইস্টবেঙ্গল এবং ATK মোহনবাগান সমর্থকরা নিজেদের প্রিয় দলের ক্লাব তাঁবুতে সকাল থেকেই লাইনে দাড়িয়েছিল।

ডার্বি ম্যাচে অফলাইনে মোট ৬০০০০ হাজার টিকিট বরাদ্দ করা হয়েছে,এর মধ্যে তিরিশ হাজার করে টিকিট ভাগ করা হয়েছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমর্থকদের জন্য। শুক্রবার সকাল থেকেই দুই প্রধানের ক্লাব তাঁবুর সামনে অগণিত ফুটবল সমর্থকদের ভিড় পথ চলতি কারুরই চোখ এড়িয়ে যায়নি। দীর্ঘ দু’বছর পর কলকাতাতে হতে চলেছে ‘হাইভোল্টেজ ডার্বি’ ম্যাচ, অফলাইনে সীমিত সংখ্যক টিকিট বরাদ্দের জন্য লম্বা লাইন দেওয়া দুই প্রধানের সমর্থকরা হাতে টিকিট না পেয়ে হতাশ।আর এই হতাশা থেকে তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

   

ডার্বি ম্যাচের টিকিট নিয়ে হাহুতাশ দুই প্রধানের সমর্থকদের

অফলাইনে ৫০ এবং ১০০ টাকার টিকিট দেওয়া হলেও সকালে টিকিট কাউন্টার খোলার পর নিমেষে ওই টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। যারা টিকিট পায়নি হতাশার থেকে তাদের বলতে শোনা গিয়েছে, এরই মধ্যে টিকিট উধাও! কোভিড-১৯ অতিমারির ধাক্কাতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের সমর্থকরা মাঠমুখী হতে পারেনি। করোনার মারণ ছোবল কিছুটা কমতেই মাঠে দর্শক অনুপ্রবেশের বিঞ্জপ্তি সামনে আসতেই সমর্থকদের মধ্যে ‘জোশ’ তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। কিন্তু একাংশ দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইমামি ইস্টবেঙ্গল এবং ATK মোহনবাগান সমর্থকরা টিকিট না পাওয়ার জন্য কর্তপক্ষকে দায়ী করছে। এককথায় বলাই যায়, মহাডার্বি ম্যাচের টিকিট পাওয়া আর না পাওয়া ঘিরে গোষ্ঠ পাল সরণী এবং লেসলী ক্লডিয়াস সরণী জুড়ে দুই ক্লাবের সমর্থকদের মুখের হাবভাব,চোখের চাউনি এবং তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ (শরীরের ভাষা) মিলে সুর মেরা তুমাহার,তো সুর বনে হামারা…

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন