Qatar WC: বিদ্রোহী ইরানি দলের নজির, হিজাব বিরোধী নারীদের সমর্থনে গাইল না জাতীয় সঙ্গীত 

38

বিশ্বকাপের আসরে এমন ঘটনা আগে কখনও হয়নি। জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন না ইরান দলের ফুটবলাররা। এই মূহূর্ত কাতারের খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম থেকে বিশ্ব জুড়ে ঝড় তুলে দিল। আর ইরান জুড়ে বিদ্রোহী জনতার উল্লাস। দেশের সরকারের কড়া হিজাব নীতির বিরুদ্ধে চরম প্রতিবাদ জানালেন ইরানের জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।

বহু রাজনৈতিক-সামাজিক বিতর্কের সাক্ষী বিশ্বকাপ ফুটবলের সবকটি অাসর। এবারও (Qatar WC) ব্যাতিক্রম নেই। কাতার সরকারের ধর্মীয় রক্ষণশীল নীতির কারণে বিতর্ক আরও প্রবল। এই আবহে গনগনে উনুনের মতো ফুটছে England-Iran ম্যাচ।  

ইংল্যান্ড দলের সমকামিতা সমর্খন ও ইরানি দলের হিজাব বিদ্রোহ সমর্থন আবহে এই ম্যাচ যেন গনগনে উনুন।

 BBC জানাচ্ছে, প্রতিপক্ষ দল ইরান নামছে নিজ দেশের রক্তাক্ত হিজাব বিদ্রোহের প্রতি সমর্থনের বার্তা নিয়ে। ইরানের জাতীয় দলটি দেশের সরকারের বাধ্যতামূলক মহিলাদের হিজাব পরানোর নীতির তুমুল প্রতিবাদ করেছে। 

হিজাব ঠিক মতো না পরার জন্য ইরানি-কুর্দিস মাশা আমিনির গ্রেফতার ও পুলিশের হেফাজতে তার মৃত্যুর পর থেকে ইরান গণবিক্ষোভ উত্তাল। শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত। মহিলারা হিজাব খুলে চুল কেটে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। বিক্ষোভ চলছে়ই। 

Qatar Tribune জানাচ্ছে, ফিফার নিয়ম মেনে মাশা আমিনির হত্যার প্রতিবাদ জানাতে পারবেন ইরানের জাতীয় দলের খেলোয়াড়ররা।

Goal.Com জানাচ্ছে, বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড বনাম ইরানের ম্যাচটি ইউরোপ বনাম এশিয়ার লড়াই। দুই মহাদেশের দুটি দেশ প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে। এশিয়ার সেরা দল ইরান। আর ইংল্যান্ডের হলো ইউরোপের অন্যতম সেরা দল। দুটি দলই জিততে মরিয়া।

Al Jazeera জানাচ্ছে, ইরান ও ইংল্যান্ডের ম্যাচে বিতর্কের অন্যতম কারণ, কাতার সরকারের সমকামিতা নীতির বিরোধিতা। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক সমকামিতার পক্ষে সরব থাকেন। তিনি সমকামীদের তিনরঙা পতাকার বাহুবন্ধনী পরে মাঠে নামবেন বলে জানি়য়েছেন। এদিকে কাতার সরকারের নিয়ম ভেঙে তিনি যদি সমকামীদের পক্ষে বার্তা দিতে মাঠে নামেন তাহলে ফিফা দেবে শাস্তি। সেক্ষেত্রে হলুদ কার্ড দেখবেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)