HomeSports NewsEast Bengal: বসুন্ধরার ইস্টবেঙ্গল যোগের সম্ভাবনায় বাংলাদেশে উৎসবের মেজাজ

East Bengal: বসুন্ধরার ইস্টবেঙ্গল যোগের সম্ভাবনায় বাংলাদেশে উৎসবের মেজাজ

কলকাতায় আলোচনা চলছে বসুন্ধরা নিয়ে। বাংলাদেশেও তাই। পদ্মার দুই পারে আলোচনার সেতু বন্ধ করেছে ইস্টবেঙ্গল।

মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাব প্রেস রিলিজ প্রকাশ করার পরেই জোর গুঞ্জন। লাল-হলুদ শিবিরে ইনভেস্ট করতে পারে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ। জল্পনার জল চালিয়েছে পদ্মার দুই পর। বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীরাও খোঁজ খবর রাখতে শুরু করেছেন ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত সাজোসাজ রব। যেন উৎসবের আমেজ। কে বলতে পরে হয়তো ইলিশের বিক্রিও বেড়েছে এই ফাঁকে !

   

একটু নেট ঘাঁটলেই পাওয়া যাচ্ছে ওপর বাংলার ফুটবল প্রেমীদের একের পর এক মন্তব্য। সুভানি আলফি নামের এক প্রোফাইল থেকে পোস্ট করা হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আলোচিত সেই প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ছবির ক্যাপশনে লেখা, ‘ শোনা যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ইস্টবেঙ্গল ক্লাব এর দায়িত্ব নিতে পারে বসুন্ধরা গ্রুপ… দারুণ ব্যাপার।’ প্রোফাইলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ‘দায়িত্ব বলতে গতানুগতিক স্পনসর করার কথা বলছি । মালিকানার একটা অংশও নিতে পারে কোম্পানি।’

ওই পোস্টে কমেন্ট করা হয়েছে তনভির আহমেদ নামের এক প্রোফাইল থেকে। জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, ‘ কো স্পনসর হবে বসুন্ধরা। নাকি ফুল মালিক হবে?’ পোস্ট কর্তারা পেশাদার ভঙ্গিতে উত্তর দিয়েছেন, ‘ সে ব্যাপারে এখনই নিশ্চিত কোনো খবর নেই। জল্পনা মাত্র।’

ওপার বাংলার ফুটবলে বসুন্ধরা গোষ্ঠীর বিনিয়োগ রয়েছে। একাধিক ক্লাবে কোম্পানির বিনিয়োগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বসুন্ধরা কিংস ফুটবল ক্লাব নামকরা। এছাড়াও একাধিক বিনিয়োগ রয়েছে সংস্থার।

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে লেখা, ” আগামী ২৪ শে ফেব্রুয়ারী ২০২২, সকাল ১০.৩০ টায় ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুতে বাংলাদেশের এক বিশিষ্ট ক্রীড়াপ্রেমী শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র ফুটবল ক্লাবের কর্ণধার জনাব সায়েম সোবহন আনভীর কে ক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করা হবে।” বিজ্ঞপ্তির শেষে লেখা রয়েছে, ” অনুষ্ঠান পরবর্তী মধ্যাহ্ন ভোজে আপনার আমন্ত্রণ রইল “।

Kolkata24x7 Team
Kolkata24x7 Teamhttps://kolkata24x7.in
আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

এই সংক্রান্ত আরও খবরর

এই বিভাগের আরও খবর