সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পশুপতিনাথে পুজো দিলেন অ্যান্থনি

আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ের মধ্য দিয়ে এবারেরই ফুটবল সিজন শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফুটবল ক্লাব। এবারের এএফসি ওমেন্স লিগে গ্রুপ পর্বে দাপুটে পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে…

east-bengal-women-saff-champions-anthony-andrews-pashupatinath-temple

আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ের মধ্য দিয়ে এবারেরই ফুটবল সিজন শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফুটবল ক্লাব। এবারের এএফসি ওমেন্স লিগে গ্রুপ পর্বে দাপুটে পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে শুরু করলেও পরবর্তীতে বজায় থাকেনি সেই ধারাবাহিকতা। প্রথম ম্যাচেই ইরানের বাম খাতুন এফসিকে পরাজিত করেছিল মশাল কন্যারা‌। যারফলে পরবর্তীতে নক আউটে স্থান করে নেওয়ার সুযোগ অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছিল তাদের পক্ষে। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। শেষ দুইটি ম্যাচে পরাজিত হওয়ার দরুন ছিটকে যেতে হয়েছিল টুর্নামেন্ট থেকে। তবুও ভারতীয় কন্যাদের পারফরম্যান্স মন জয় করেছিল সকলের।

তবে সেই হতাশা ভুলে ওমেন্স সাফক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে চূড়ান্ত সাফল্য পাওয়ার লক্ষ্য ছিল ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দলের। ‌ সেটাই হলো এবার। অবশেষে আজ নেপালের শক্তিশালী ফুটবল ক্লাব এপিএফ এফসিকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে এই আন্তর্জাতিক খেতাব জয় করলো মশাল কন্যারা। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি সমর্থকরা। ইতিহাস বলছে, গত ২০০৪ সালে শেষবারের মতো আন্তর্জাতিক ট্রফি জয় করেছিল ইস্টবেঙ্গল। সেবার সানমিগুয়েল ট্রফি এসেছিল কলকাতা ময়দানের এই প্রধানের কাছে। সেবার এই আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ের মধ্য দিয়ে সকলকে তাঁক লাগিয়ে দিয়েছিল ময়দানের এই প্রধান।

   

তারপর কেটে গিয়েছে অনেকটা সময়। আন্তর্জাতিক মঞ্চ তো দূরস্থ। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যথেষ্ট খারাপ সময় যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দলের। সেই হতাশা কাটিয়ে এবারের এই সিজনের ভালো পারফরম্যান্স করা পরিকল্পনা থাকলেও পরাজিত হতে হয়েছে টানা দুইটি ফাইনাল। আইএফএ শিল্ডের পাশাপাশি পরাজিত হতে হয়েছে সুপার কাপের ফাইনাল। সেই নিয়ে যথেষ্ট হতাশ সমর্থকরা। তবে এবার সেই হতাশায় কিছুটা লাঘব আনলো মশাল কন্যারা। এএফসির মঞ্চে চূড়ান্ত সাফল্য না এলেও সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সেরার সেরা ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিন নেপালের ক্লাবের বিপক্ষে ফাইনাল খেলতে নেমেছিল অ্যান্থনি অ্যান্ড্রজের মেয়েরা। শেষ পর্যন্ত দাপুটে পারফরম্যান্স থাকে ফাজিলা ইয়কপুতদের।

এই অভূতপূর্ব সাফল্যের পর নেপালের পশুপতিনাথ মন্দিরে পুজো দিতে যান ইস্টবেঙ্গল কোচ। ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে আগামী দিনে এগিয়ে চলার লক্ষ্য এই ভারতীয় কোচের।