মুস্তাফিজুর ইস্যুতে শাহরুখের জিভ কাটলে ১,০০,০০০ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা হিন্দু নেত্রীর

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান (IPL 2026) নতুন এক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। অল ইন্ডিয়া হিন্দু মহাসভার আগ্রা জেলা সভাপতি মীরা রাঠোর শুক্রবার এক উস্কানিমূলক মন্তব্য করে দাবি…

ipl-2026-shah-rukh-khan-hindu-mahasabha-controversy

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান (IPL 2026) নতুন এক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। অল ইন্ডিয়া হিন্দু মহাসভার আগ্রা জেলা সভাপতি মীরা রাঠোর শুক্রবার এক উস্কানিমূলক মন্তব্য করে দাবি করেছেন, কেউ শাহরুখ খানের জিভ কেটে এনে দিতে পারলে ১ লক্ষ টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।

Advertisements

৮ মিনিটেই শেষ! রো-কো জুটিকে দেখতে নিমিষেই উধাও টিকিট

   

মীরা রাঠোর সংবাদদাতাদের জানান, “বাংলাদেশে আমাদের হিন্দু ভাইদের পুড়িয়ে মারা হয়েছে, আর এই লোকটি ওদের কিনে এনে স্থানীয়দের খাওয়াচ্ছেন। আজ আমি ওঁর মুখে কালি মাখিয়ে জুতো মেরেছি। আমাদের ভাইদের সঙ্গে এমন কিছু হলে আমরা কাউকে ছাড়ব না। যে ওঁর জিভ কেটে আমাদের এনে দেবে, তাকে আমরা ১,০০,০০০ টাকা দেব।”

মীরা রাঠোরের এই মন্তব্যের সময় তিনি শাহরুখ খানের একটি পোস্টারেও কালি মেখে জুতো দিয়ে আঘাত করেন। এই ঘটনা সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

আইপিএলে খেলতে পারবেন না মুস্তাফিজুর! নীরবতা ভাঙল BCCI

শাহরুখ খান আগে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে আনার পর থেকেই বিতর্কে জড়িয়েছেন। কিছু হিন্দু সংগঠন ও সমর্থকরা এই সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করছেন। বিশেষত, বাংলাদেশে সম্প্রতি হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর সংঘটিত সহিংসতার খবর প্রকাশিত হওয়ায় বিতর্ক আরও তীব্র রূপ নেয়। এর আগে গল্পকার দেবকী নন্দন ঠাকুর এবং বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোমও শাহরুখকে সমালোচনা করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত বিজেপি বা অন্যান্য রাজনীতিকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আইপিএল ও বিসিসিআইয়ের ভূমিকা

এ বছরের আইপিএল নিলামে বাংলাদেশি পেসারকে দলে নেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তবে বিসিসিআইয়ের এক গোপন সূত্র জানিয়েছে, “এই ইস্যুতে বোর্ডের কোনো হস্তক্ষেপের ক্ষমতা নেই। সরকার থেকে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের আইপিএলে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আসে নি, তাই বোর্ডের পক্ষ থেকে কিছু বলা সম্ভব নয়।”

মুস্তাফিজুর ইস্যুতে বলিউড বাদশাকে বিরাট সতর্কবার্তা এই রাজনৈতিক দলের

এধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্যের পর সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে এক ধরনের ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ক্রিকেটপ্রেমী ও সাধারণ নাগরিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, ধর্ম ও জাতিগত সংঘাতের ঘটনায় খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এহেন বিতর্ক কেবল শাহরুখ খানকেই নয়, বরং পুরো আইপিএল ও বিসিসিআইকে এক জটিল রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে এনে ফেলেছে।

Advertisements