ফুটবলে রাজনীতির থাবা! রাশিয়ার সংস্থার চুক্তিতে বিতর্ক, ইতালির কোচে না আন্দ্রেয়া পিরলোর

ফুটবলের থেকে রাজনীতিই বড়! আর ঠিক এই জন্যই ইতালির কোচ হওয়া হচ্ছে না আন্দ্রেয়া পিরলোর (Andrea Pirlo)। রাশিয়ার একটি সংস্থার সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তির জেরে রাজনৈতিক…

andrea-pirlo-italy-coach-role-hit-by-russian-sponsor-controversy

ফুটবলের থেকে রাজনীতিই বড়! আর ঠিক এই জন্যই ইতালির কোচ হওয়া হচ্ছে না আন্দ্রেয়া পিরলোর (Andrea Pirlo)। রাশিয়ার একটি সংস্থার সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তির জেরে রাজনৈতিক মহলের প্রবল চাপের মুখে পড়ে জাতীয় দলের হটসিটে বসার স্বপ্ন কার্যত শেষ হয়ে গেল বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তির। সোমবার ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে পিরলো নিশ্চিত করেছেন যে, তাঁকে আর আজ্জুরিদের কোচ হওয়ার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে না। দেশ টানা তিনবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, চরম সেই দুঃসময়ে দাঁড়িয়ে তারা ফুটবলের চেয়ে রাজনীতিকে কেন বেশি প্রাধান্য দিল, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে জোরালো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জেনারো গাত্তুসোর উত্তরসূরি হিসেবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁর নাম নিয়েই চর্চা চলছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ‘দুবাই ইউনাইটেড’ ক্লাবের কোচ থাকার সময় রাশিয়ার বেটিং সংস্থা ‘ফনবেট’-এর গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তিনি যে চুক্তি করেছিলেন, সেটাই কাল হল। চলতি বছরের শুরুতে মস্কোয় একটি প্রচারমূলক অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছিল ইতালির একাংশ। রাজনৈতিক নেতাদের কড়া অবস্থান ছিল যে দেশ ইউক্রেনকে সমর্থন করছে, তাদের জাতীয় দলের কোচ কখনওই রাশিয়ার সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন না।

Advertisements

কিন্তু যে দলটা ফুটবলীয় দিক থেকে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে, তাদের পুনরুত্থানের চেয়েও কি রাজনৈতিক ইগো বড় হয়ে গেল? খেলাধুলোর মতো ধর্মনিরপেক্ষ জায়গায় রাজনীতির এই অনুপ্রবেশ কেন? পিরলো চরম হতাশ হয়ে জানিয়েছেন, ফনবেটের সঙ্গে তাঁর গাঁটছড়া সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক। এর সঙ্গে রাজনৈতিক আদর্শের সম্পর্ক নেই। তাঁর আক্ষেপ, “আমার পেশাদার চুক্তিতে রাজনৈতিক অর্থ খোঁজার অর্থ হল, আমার উপর এমন কিছু বিশ্বাস চাপিয়ে দেওয়া যা আমার নিজস্ব নয়।”