দ্বিপাক্ষিক টি- টোয়েন্টি সিরিজে (T20 Series,) এবারও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে পারল না নিউজিল্যান্ড। দেশের মাটিতেই পরাজিত টিম নিউজিল্যান্ড। ৫দিন ব্যাপী এই টি- টোয়েন্টি সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ জয় করল প্রোটিয়ারা।
পঞ্চম দিনের আগে নিউজিল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল ২-২। বুধবার ছিল সিরিজের জয় নির্ণায়ক ম্যাচ। এদিন টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক জেমস নিশাম। ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে প্রোটিয়ারা।
শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি প্রোটিয়াদের। ১৪ বলে মাত্র ১২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার টি ডে জর্জি। এরপর আর এক ওপেনার উইয়ান মুল্ডার ২৯ বলে ৩১ রান করে আউট হন। রুবিন হার্মানের সঙ্গে ৫৫ রানের জুটি সেখানে তৈরি হয়েছিল। এরপর রুবিনও সাজঘরের দিকে যান ৩১ বলে ৩৯ রান করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন কনোর এস্তেরহুইজেন তাও ৩৩ বলে। এটি তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। এস্তেরহুইজেনের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫টি চার ও ৬টি ছয়-এ। এছাড়া ডিয়ান ফরেস্টার ১৩ বলে ২১ রান ও জেসন স্মিথ ১ রান করে নট আউট থাকেন। নিউজিল্যন্ডের হয়ে বেন সিয়ার্স ২টি এবং জ্যাক ফোলস ও জশ ক্লার্কসন ১টি করে উইকেট নেন।
উল্টোদিকে রান তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই ২টি উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ওপেনার ক্যাতন ক্লার্ক ৪ বলে মাত্র ২ রান করেই সাজঘরে ফেরেন। আর এক ওপেনার টিম রবিনসন ২০ বলে ২৫ করে উইকেট হারান। নিক কেলি করেন ১৮ বলে ১৪ রান। দলের হয়ে এদিন সর্বোচ্চ ১৯ বলে ৩৬ রান করেন বেভন জ্যাকব। এছাড়া জশ ক্লার্কসন ১০ বলে ১৩, কোল ম্যাককঞ্চি ১, জ্যাক ফোলকস ৪ ও কাইল জেমিসন ৪ রান তোলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন জেরাল্ড কোয়েৎজি, উইয়ান মুল্ডার ও ওটনিল বার্টম্যান। ১টি উইকেট নেন কেশভ মাহারাজ।




















