কলকাতা: শিয়রে বিধানসভা ভোট৷ তার আগে চরতে শুরু করেছে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ৷ ১০ দিনের ব্যবধানে সিঙ্গুরে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী৷ শিল্প নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে উঠেছে৷ এরই মাঝে জুড়ল নয়া বিতর্ক৷ আর এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে স্কুল পড়ুয়ারা। অভিভাবকদের অভিযোগ, তাঁদের না জানিয়েই পড়ুয়াদের মুখ্যমন্ত্রীর সভায় নিয়ে গিয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সে কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন৷ তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসনের শীর্ষস্তরের আকস্মিক নির্দেশ পালন করতে গিয়ে অভিভাবকদের জানানোর সময় পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনার প্রতিবাদে ফেটে পড়েছেন অভিভাবকেরা৷ প্রতিবাদে শিক্ষাভবনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি৷ ওঠে মুখ্যমন্ত্রী হায়হায় স্লোগান৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে অকুস্থলে পৌঁছায় পুলিশ৷
মোদী মমতা তরজা school students at CMs rally
এদিকে, ন্যানো কারখানার জমিতে দাঁড়িয়ে শিল্প নিয়ে মোদী-মমতা দুজনেই ‘স্পিকটি নট’। প্রধানমন্ত্রী বড় কোনও বিনিয়োগের ঘোষণা না করায় আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল। পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তৃণমূলের আন্দোলনের জেরে সিঙ্গুর আজ ‘শ্মশানে’ পরিণত হয়েছে এবং রাজ্যে বড় শিল্প আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আবার তাঁর সভা থেকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা ও মোদীর ‘টেলিপ্রম্পটার’ নির্ভর ভাষণের কড়া সমালোচনা করেন।
তৃণমূলের কুণাল ঘোষের দাবি, তাঁরা শিল্পের বিরোধী নন, কেবল তিন ফসলি জমি জোর করে অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে ছিলেন। সব মিলিয়ে, দুই হেভিওয়েটের সফরের পরও সিঙ্গুরের ভাগ্যবদল বা নতুন কারখানার দিশা মিলল না, রয়ে গেল কেবল রাজনীতির চেনা লড়াই।




















