ইম্ফল: মণিপুরের অশান্ত পরিস্থিতিতে সিকিউরিটি ফোর্স একটি বড় ধাক্কা দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন ইউএনএলএফ (পি)-কে (UNLF(P) militants)। লামডেং এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ দল ভেঙে দিয়েছে একটি বড় অস্ত্র চোরাচালান নেটওয়ার্ক। অভিযানে চারজন জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছে, যাদের মধ্যে দু’জন সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালিয়েছিল।
BREAKING 🚨 Security forces busted a major UNLF (P) arms network in Manipur after a series of operations in Lamdeng.
4 cadres arrested, including two accused of firing at security personnel during the operation.
Massive recoveries include 67 weapons, AK & M-series rifles, a… pic.twitter.com/VdVhoC97XM
— The Bharat News 🇮🇳 (@BharatNewsX) May 29, 2026
অভিযানের সময় উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র। মোট ৬৭টি অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক এ কে সিরিজ ও এম সিরিজের রাইফেল, স্নাইপার রাইফেল, আরপিজি-৭ লঞ্চার, মর্টার, অ্যান্টি-ড্রোন জ্যামার এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও গোলাবারুদ। এই বিপুল সম্ভার দেখে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটা শুধু একটা ছোট গ্রুপ নয়, একটি সংগঠিত অস্ত্র নেটওয়ার্কের অংশ ছিল।লামডেং এলাকায় গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়।
আরও দেখুনঃ অসমেও শুকোল ঘাসফুল! দল ছাড়লেন তৃণমূল নেতা অভিজিৎ মজুমদার
যখন নিরাপত্তা বাহিনী সন্দেহভাজন জায়গায় পৌঁছায়, তখন জঙ্গিরা গুলি চালাতে শুরু করে। তবে সেনা ও পুলিশের দ্রুত ও সাহসী প্রতিক্রিয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। দু’জন জঙ্গিকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয়, বাকি দু’জনকে পরে ধরা হয়। গ্রেফতার হয়ে ব্যাক্তিদের মধ্যে ইউএনএলএফ (পি)-এর স্থানীয় কমান্ডার স্তরের লোকজন রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।একজন সিনিয়র আর্মি অফিসার বলেন, “এই অভিযান মণিপুরের শান্তি প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এতগুলো অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা রুখে দেওয়া গেছে।” উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মান দেখে অনেকে আশঙ্কা করছেন, এগুলো শুধু স্থানীয় সংঘর্ষের জন্য নয়, বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ ছিল। অ্যান্টি-ড্রোন জ্যামার উদ্ধার হওয়ায় জঙ্গিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষমতাও প্রকাশ পেয়েছে।মণিপুরের সাধারণ মানুষ এই খবরে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন।




















