নয়াদিল্লি: জমে ওঠা আইপিএলের (IPL 2026) প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন দেখালেন দিল্লি ক্যাপিটালসের সেমার রিজভি। ‘ইমপ্যাক্ট সাবস্টিটিউট’ হিসেবে নেমে ৪৭ বলে অপরাজিত ৭০ রান করে দিল্লিকে ৬ উইকেটে জয় এনে দিলেন। গোয়েঙ্কাদের লখনউ সুপার জায়ান্টসের দেওয়া ১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালস শুরুতে ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে৷ তবে রিজভি-স্টাবসের টানা ১১৯ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতে নেয় ১৭.১ ওভারেই।
শুরুতে ধাক্কা, তারপর রিজভির ঝড়
দিল্লির শুরুটা ছিল একেবারেই খারাপ। মহম্মদ শামি, মহসিন খান এবং প্রিন্স যাদবের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে দল। কিন্তু ১০ নম্বরে নামা সেমার রিজভি পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে দেন। প্রথমে শামি-মোহসিনের স্পেল সামলে নিয়ে পরে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। ৫টি চার ও ৪টি ছক্কায় সাজানো তার ৭০ রানের ইনিংস ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ত্রিস্তান স্টাবস (৩৯*) তার সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দেন। দুজনের জুটি লখনউয়ের বোলিং আক্রমণকে একেবারে ছিন্নভিন্ন করে দেয়।
লখনউয়ের ব্যাটিং ব্যর্থতা
আগে ব্যাট করে লখনউ মাত্র ১৪১ রানে অলআউট হয়ে যায়। টি নটরাজন (৩/২৯), লুঙ্গি এনগিডি (৩/২৭) ও কুলদীপ যাদবের (২/৩১) দাপটে লখনউয়ের ব্যাটসম্যানরা একের পর এক উইকেট হারান। বিশেষ করে এনগিডির স্লোয়ার ডেলিভারি লখনউয়ের মিডল অর্ডারকে একেবারে বিধ্বস্ত করে দেয়।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই জয়?
দিল্লি ক্যাপিটালসের জন্য এই জয় শুধু ২ পয়েন্টের বেশি কিছু। শুরুতেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েও ঘুরে দাঁড়ানোর যে মানসিকতা দেখিয়েছে দল, তা পুরো আসরে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। আর রিজভির মতো তরুণ খেলোয়াড়ের এই পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য খুবই আশাপ্রদ।
বাংলার দর্শকদের জন্যও এই ম্যাচ আকর্ষণীয় ছিল। বিশেষ করে রিজভির ম্যাচ জেতানো ইনিংস অনেক তরুণ ক্রিকেটপ্রেমীকে অনুপ্রাণিত করবে। আইপিএলে এমনই অপ্রত্যাশিত পারফরম্যান্সই খেলাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।




















