কলকাতা: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘শম্পা’৷ এই বার্তাই এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ ২০ থেকে ২৩ মার্চের মধ্যে এই ঝড় শহরে আছড়ে পড়তে পারে বলেও দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন পোস্টে৷ ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে ভাইরাল হওয়া এইসব পোস্টে ঝড়বৃষ্টির ভয়াবহ দৃশ্য এবং সতর্কবার্তা জুড়ে দেওয়ায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন৷
তবে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন৷ আইএমডি-এর তরফে জানানো হয়েছে, ‘শম্পা’ নামে কোনও ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস নেই৷ বাস্তবে এই নামে কোনও সাইক্লোনের অস্তিত্বই নেই৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ একটি নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক তালিকা অনুসারে করা হয়৷ বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া সংস্থাগুলি আগে থেকেই সম্ভাব্য নাম নির্ধারণ করে রাখে৷ অতীতে আমফান ও ফণীর মতো ঘূর্ণিঝড় সেই তালিকা অনুযায়ী নাম পেয়েছে৷ কিন্তু ‘শম্পা’ সেই তালিকায় নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷
এদিকে, কলকাতায় গত কয়েকদিন ধরে যে ঝড়বৃষ্টি ও তাপমাত্রা হ্রাস দেখা যাচ্ছে, তা নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে৷ অনেকেই মনে করছেন, এটি ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব৷ মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে এই ধরনের ঝড় হওয়া স্বাভাবিক৷ কালবৈশাখীর সময় হঠাৎ করে আকাশ কালো হয়ে যায়, প্রবল দমকা হাওয়া শুরু হয়, বজ্রপাত ও বৃষ্টি হয়৷ কখনও শিলাবৃষ্টিও হয়৷ এই ঝড় সাধারণত অল্প সময় স্থায়ী হয় এবং দ্রুত শেষ হয়ে যায়৷
এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দাবি ছড়িয়েছে যে ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানজুড়ে ১,০০০ কিমি বিস্তৃত একটি ‘রেন-ব্যান্ড’ তৈরি হয়েছে৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি আসলে ‘ওয়েস্টার্ন ডিস্টার্ব্যান্স’ বা পশ্চিমি ঝঞ্ঝা যা প্রতি বছরই ঘটে এবং এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আবহাওয়াগত প্রক্রিয়া৷




















