Thursday, February 2, 2023

Durga Puja: বাজেটে বড় রেখে নির্বাধ পুজোর প্রস্তুতি টালা পার্ক প্রত্যয়ের

- Advertisement -

অনলাইন ডেস্ক: কোনও কাটছাঁট নয়। করোনা আছে বলে সবকিছুতে দিনের পরদিন কাটছাঁট আর চাইছেন না ওঁরা। পুজো হবে বড় করেই। পুজো হবে বড় বাজেট নিয়েই। তা নিয়েই এগিয়ে গিয়েছে টালা পার্ক প্রত্যয়।

ক্লাবের এবারের পুজোর বাজেট ৬০ থেকে ৬৫ লক্ষ টাকা। এত বড় বাজেট এই পরিস্থিতিতে? এর কারণ কী? কেন এত বিগ বাজেটের পুজো? কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, “নানা শিল্প ও শিল্পীর সংযুক্ত উদ্যোগে আজ বাংলার দুর্গাপুজোকে শিল্পে পরিণত করেছে। এই কর্মযজ্ঞের উপর নির্ভরশীল অজস্র মানুষ ও তাঁদের পরিবার। আজকের দিনে পুজো শিল্প এমন এক মাধ্যম যা কর্পোরেট সংস্থার বিজ্ঞাপন থেকে সংগৃহীত পুঁজিকে বহু সংগঠিত ও অসংগঠিত শিল্পী কারিগরদের কাছে পৌঁছে দেয়।”

তাই সুযোগ ও সামর্থ্য থাকলে এই অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যে বিগ বাজেটের পুজো করা এক জনকল্যাণমূলক প্রচেষ্টা বলে তাঁরা মনে করছেন। এখানে ২০০ লোক টাইম শেডিউল ভাগ করে ভ্যাক্সিন নিয়ে এবং যাদের তা না হয়েছে ভ্যাক্সিন দিইয়ে কাজ করার এবং অর্থ উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে টালা পার্ক প্রত্যয়। মূল উদ্দেশ্য একটাই কর্পোরেট থেকে প্রাপ্ত অর্থ ডাউনলাইন ধরে সমাজে পাঠিয়ে দেওয়া। সেই কাজে সফল তারা।

- Advertisement -

tala park patyay

এই ভাবনা থেকেই তাঁদের থিমের নাম নির্বাধ। ক্লাব কর্তারা জানাচ্ছেন, “এক দুর্বিষহ ও আতঙ্কের চৌহদ্দিতে অবরুদ্ধ আমাদের বর্তমান জীবন। এই বাঁধনের শেষ কোথায়?এর থেকে মুক্তির কি উপায় তা আমাদের অজানা। তবে এবার সময়, চৌহদ্দির অন্ধকার অতিক্রম করে আলোয় ফিরে যাওয়ার। আবদ্ধতা ভেঙে নির্বাধ হয়ে আমরা পৌঁছে জাব আলোর উৎসে, শক্তির উজ্জাপনে’।

গতবার তাঁদের থিম ছিল লোকাহিত। অর্থাৎ মানুষের জন্য কাজের বার্তা। ত্রিনয়নে স্যানিটাইজেশনের অভিনব উদ্যোগ নিয়েছিল এই ক্লাব। মুদিয়ালির সঙ্গে একসঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়ার জন্য এই কাজ করেছিল তারা। পাড়া স্যানিটাইজেশনের পাশাপাশি একে অপরের মণ্ডপ চত্বর স্যানিটাইজেশন করেছিল তাঁরা। বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছিল ‘সকলের তরে সকলে আমরা’। সেই ভাবনা মাথায় রেখেই এবারও মানুষের পাশে এভাবে দাঁড়াতে চাইছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।