কলকাতা: ভোটের ডিউটিতে গিয়ে বুথে কী খাবেন ভোটকর্মীরা? এবার সেই চিন্তার অবসান ঘটিয়ে মেনু ও দামের তালিকা একেবারে নির্দিষ্ট করে দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটকর্মীদের রসনা তৃপ্তির পাশাপাশি পকেটের খেয়াল রাখতেও এই বিশেষ উদ্যোগ। আর বুথে বুথে তাঁদের জন্য এই ঘরোয়া ও সুস্বাদু আয়োজনের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বাংলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাই।
পুরুলিয়া জেলার গ্রামোন্নয়ন সংস্থার তরফে ইতিমধ্যেই ভোটকর্মীদের হাতে নির্দিষ্ট খাদ্য ও মূল্যের তালিকা তুলে দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বেঁধে দেওয়া রেট চার্ট অনুযায়ী, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি খাবার নির্দিষ্ট দামেই কিনতে হবে, তার বেশি টাকা নেওয়া যাবে না।
কী থাকছে মেনুতে এবং দাম কত?
৬০ এম.এল লাল চা মিলবে মাত্র ৬ টাকায়, আর দুধ চা ৭ টাকায়। প্রাতঃরাশে মুড়ি-ঘুগনির দাম ধার্য করা হয়েছে ৩০ টাকা। দুপুরের ভাত, ডাল, সবজি, আলু ফ্রাই, চাটনি ও পাঁপড়-সহ ভেজ থালির দাম ৬০ টাকা (অতিরিক্ত ভাতের জন্য ১০ টাকা)। এর সঙ্গে এক পিস রুই মাছ নিলে দাম পড়বে ৯০ টাকা। এছাড়া ডিমের কারি-সহ থালি ৭০ টাকা এবং ৩ পিস চিকেন-সহ থালির দাম রাখা হয়েছে মাত্র ১০০ টাকা।
রাতে ৫ টাকায় জুটবে একটি রুটি, সবজি ১৫ টাকা এবং এক পিস চিকেন মিলবে ২০ টাকায়। এছাড়া ডিম তড়কা (৩৫ টাকা), ভেজ তড়কা (২৫ টাকা) এবং আলু পোস্তও (২৫ টাকা) পাওয়া যাবে। শেষ পাতে ১০ টাকায় থাকছে মিষ্টির ব্যবস্থা।
কমিশনের নির্দেশ Poll duty food menu West Bengal
কমিশনের নির্দেশ, স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি এই দামের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নিতে পারবে না। বুথে পাহারায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও চাইলে এই খাবার কিনে খেতে পারেন।
খাবারের দামের মতোই জেলাভেদে ভোটকর্মীদের ভাতাতেও কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। যেমন, পুরুলিয়ায় একজন প্রিসাইডিং অফিসার ভোট ও আগের দিন মিলিয়ে পান ৩,০২০ টাকা, সেখানে হুগলিতে এই বরাদ্দ ৩,৫৩০ টাকা।




















