কলকাতা: বঙ্গের নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে চরমে। প্রথম দফার নির্বাচন মিটলেও বাকি রয়েছে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। (Saffron abir)এর মধ্যেই কলকাতার বড় বাজারে আউট অফ স্টক হয়ে গিয়েছে গেরুয়া আবির, এমনটাই জানা যাচ্ছে সূত্র মারফত। বড়বাজারের আবির বিক্রেতারা স্পষ্ট জানাচ্ছেন অন্যবারের চেয়ে এবারে গেরুয়া আবিরের চাহিদা অনেক বেশি। আগে সবুজ আবিরই অনেক বেশি বিক্রি হত কিন্তু এবার বঙ্গে পরিবর্তনের হাওয়া, তাই এবার গেরুয়া আবির এত বিক্রি হয়েছে যে প্রায় আউট অফ স্টক হয়ে গিয়েছে।
আরও দেখুনঃ বিজেপি অপরাজেয়! স্বীকারোক্তি তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের
এবারের নির্বাচন যে অন্যবারের নির্বাচনের চেয়ে একদম ব্যাতিক্রমী তা স্বীকার করেছেন রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে বিশ্লেষকদের একাংশ। বিশেষ করে এবারের নির্বাচনে বিজেপির সর্বভারতীয় প্রচারে অনেকেই আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে এসে লাগাতার প্রচার চালিয়েছেন। শুধু তাই নয় রাজ্যে এসে প্রচার চালিয়েছেন বিজেপির তাবড় নেতারাও।
আরও দেখুনঃ বাংলার সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে তৃণমূলের দুর্দিনে বেসুরো বাবুল
এছাড়াও এবারে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনে বাদ গিয়েছে প্রায় ৯১ লক্ষ অবৈধ ভোটার। ভোটার তালিকার এই সংশোধনই বিজেপিকে বাংলার মসনদ পাইয়ে দিতে পারে এমনটাও মনে করছেন অনেকেই। আবার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে এবারের নির্বাচনে SIR বুমেরাং ও হতে পারে বিজেপির জন্য আবার অনেকেই বলছেন দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনে যে দুর্নীতি হয়েছে তার জবাব দিতেই এবার বাংলায় বইছে পরিবর্তনের হওয়া।
আরও দেখুনঃ ঠনঠনিয়া কালীর পুজো দিয়ে তিলোত্তমায় ভোটপ্রচারে নমো
এই হওয়ার পরশ লেগে গিয়েছে বড়বাজার থেকে শুরু করে লোকাল দোকান গুলিতেও। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন এখনও শেষ হয়নি এর মধ্যেই আগামী ৪ মের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলা জুড়ে। বেশিরভাগ মানুষই এবারে ঝুঁকেছেন গেরুয়া আবিরের দিকে। তবে সবুজ আবির একেবারে বন্ধ হয়ে যায়নি তবে দোকানদারদের কথা অনুযায়ী যে পরিমান গেরুয়া আবির ইতিমধ্যেই বিক্রি হয়ে গিয়েছে তার তুলনায় যৎসামান্যই বিক্রি হয়েছে গেরুয়া আবির।
তবে এখনও দ্বিতীয় দফার মহারণ বাকি এবং তার জন্য ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং বিপুল পরিমান সাঁজোয়া গাড়ি প্রস্তুত সারা বাংলা জুড়ে। তবে সামাজিক মহলের মত নির্বাচনের ফল যাই হোক বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা যেন বন্ধ হয় তার জন্য পদক্ষেপ নিক নির্বাচন কমিশন।




















