রাজ্যে কর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলায় বেকারত্ব কমেছে ৪৫.৬৫ শতাংশ। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, রাজ্যে গত কয়েক বছরে ১ কোটি ৭২ লক্ষেরও বেশি মানুষ দারিদ্রসীমার বাইরে উঠে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, রাজ্যে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্প চালু করা হয়েছে, যার ফলেই বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শিল্প, পরিষেবা ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান এই তিন ক্ষেত্রেই নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে স্বনির্ভর গোষ্ঠী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে বহু মানুষের জীবিকায়ন সম্ভব হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) আরও জানান, রাজ্যের মহিলা কেন্দ্রিক প্রকল্পগুলি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, যুবশ্রী-র মতো প্রকল্পের মাধ্যমে বহু পরিবার আর্থিক স্থিতি পেয়েছে। তাঁর দাবি, এই প্রকল্পগুলির ফলে শুধু সামাজিক সুরক্ষা নয়, মানুষের আয় ও কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। দারিদ্র্য হ্রাস প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “১ কোটি ৭২ লক্ষ মানুষ দারিদ্রসীমার বাইরে এসেছে এটা কোনও কাগজে-কলমের হিসেব নয়, বাস্তব চিত্র।” তিনি উল্লেখ করেন, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী, আবাস যোজনা এবং সামাজিক পেনশনের মতো প্রকল্পগুলি রাজ্যের দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এনেছে। ন্যূনতম খরচ কমিয়ে মানুষের হাতে বাড়তি টাকা রাখাই ছিল সরকারের মূল লক্ষ্য।




















