শুভেন্দুকে নকল করে দুই কেন্দ্রে প্রার্থী জনতা উন্নয়নের হুমায়ুন

কলকাতা: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, (Humayun Kabir)ততই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্কে নতুন নতুন চমক সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল মুর্শিদাবাদের…

humayun-kabir-new-party-west-bengal-election-2026-two-seats

কলকাতা: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, (Humayun Kabir)ততই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্কে নতুন নতুন চমক সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল মুর্শিদাবাদের বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের নতুন কৌশল। নিজস্ব দল গঠন করে নির্বাচনী ময়দানে নামার পর এবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন তিনি।

‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ নামে নবগঠিত দল থেকে প্রার্থী ঘোষণা করে হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি এবার বড় লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি হয়েছে তাঁর ‘জোড়া আসনে’ লড়াই করার সিদ্ধান্ত ঘিরে। জানা গিয়েছে, তিনি মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবংনওদা এই দুই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চলেছেন। এর আগে বেলডাঙা বা ভরতপুর থেকে লড়ার জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এই দুই আসনেই বাজি ধরেছেন তিনি।

আরও দেখুনঃ সুপার সুখোই-এর বিরূপাক্ষ রাডার প্রস্তুত, নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে Su-30MKI-তে

এই কৌশল অনেকের কাছেই নতুন নয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। সেই পথেই হাঁটতে চাইছেন হুমায়ুন কবীর এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। একাধিক আসনে লড়াই করে নিজের প্রভাব বিস্তার এবং সংগঠনের শক্তি প্রদর্শনের লক্ষ্যই তাঁর মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই তিনি আরও একটি বিতর্কিত পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বিভিন্ন আসনে ‘হুমায়ুন কবীর’ নামেই একাধিক প্রার্থী দাঁড় করানোর ভাবনা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এর মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা এবং রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলার কৌশল থাকতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও বাস্তবে সেই পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

হুমায়ুন কবীরের দাবি, তাঁর নতুন দলের মূল লক্ষ্য হল তৃণমূল এবং বিজেপি বিরোধী ভোটকে একত্রিত করা। বিশেষ করে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ঐক্যের বার্তা দিতেই এই দল গঠন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যের বড় দুই রাজনৈতিক শক্তির বাইরে একটি বিকল্প মঞ্চ তৈরি করাই তাঁর লক্ষ্য। উল্লেখযোগ্যভাবে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই তাঁর দলকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা তাঁকে নির্বাচনী লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ফলে এবার তিনি শুধু প্রার্থী হিসেবেই নয়, দলনেতা হিসেবেও নিজের প্রভাব প্রমাণ করতে চাইছেন।