ভুল থেকে শিক্ষা! কেন্দ্রীয় বাহিনীর শরীরেও এবার কমিশনের ক্যামেরা

নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন (ECI body cameras) এক অভূতপূর্ব কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে যেখানে মোতায়েন করা সিসিটিভি ক্যামেরার মধ্যে প্রায়…

eci-body-cameras-central-forces-west-bengal-elections

নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন (ECI body cameras) এক অভূতপূর্ব কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে যেখানে মোতায়েন করা সিসিটিভি ক্যামেরার মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশে কোনো রেকর্ডিংই ছিল না, সেই লজ্জাজনক ব্যর্থতার পর এবার কমিশন কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয়। এবারের নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে ভোট প্রক্রিয়াকে একেবারে নিরাপদ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে ইসিআই কঠিন নির্দেশিকা জারি করেছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হলো মাইক্রো অবজার্ভার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো। এই ক্যামেরাগুলো মিনিট-টু-মিনিট ভিত্তিতে মাঠের প্রতিটি ঘটনা রেকর্ড করবে। কোনো বুথে সামান্যতম হিংসা, গোলমাল বা অনিয়ম দেখা গেলেই ভোট প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে যতবার দরকার ততবার রিপোলিং করা হবে।

Advertisements

আরও দেখুনঃ ‘ভোটব্যাঙ্কের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে তৃণমূল’, সরব প্রধানমন্ত্রী

কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কোনও ছাড় নয়, কোনো অজুহাত চলবে না।এছাড়া সিএপিএফের কুইক রেসপন্স টিমের (কিউআরটি) সব গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো হয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা রিয়েল টাইমে দেখতে পারবেন যে, নিরাপত্তা কর্মীরা ঠিক কোথায় আছেন এবং তাদের সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না। আগের নির্বাচনে অনেক অভিযোগ উঠেছিল যে, সিএপিএফ মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় জায়গায় তাদের পাঠানো হয়নি বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এবার সেই সুযোগ একেবারে বন্ধ করা হয়েছে।সব সরকারি সিসিটিভি ক্যামেরা এবার নির্বাচন কমিশনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। সংবেদনশীল বুথে তিনটি করে এবং অন্যান্য বুথে দুটি করে ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে। এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ক্যামেরাগুলো রিয়েল টাইমে মনিটর করা হবে। কোনো ক্যামেরা বন্ধ হলে বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখা গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।