মুসলিমরা চাইলে হিন্দুদের কেটে গঙ্গায়…..! নির্বাচনী উত্তাপে উত্তেজিত অধীর

বহরমপুর: কংগ্রেস নেতা ও বহরমপুরের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan)মুর্শিদাবাদে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি…

adhir-ranjan-communal-tension-murshidabad-election-controversy

বহরমপুর: কংগ্রেস নেতা ও বহরমপুরের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan)মুর্শিদাবাদে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনে তাঁকে হারানোর জন্য দাঙ্গা পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে দাবি করে তিনি এবারও একই ধরনের ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার বহরমপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে অধীর চৌধুরী বলেন, “মুর্শিদাবাদে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করা হচ্ছে নির্বাচনের আগে। গতবার আমাকে হারানোর জন্য দাঙ্গা পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, মুর্শিদাবাদে ৭০ শতাংশ মুসলিম ও ৩০ শতাংশ হিন্দু। মুসলিমরা যদি চায়, তাহলে ৩০ শতাংশ হিন্দুকে খুন করে গঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে পারে। আমরা এবারও সেই একই জিনিস ঘটতে দেখছি।”

Advertisements

আরও দেখুনঃ মেসির নামে স্ট্যান্ড গড়ে ১০০ বছরের প্রথাভঙ্গ আমেরিকার! শুরু জল্পনা

তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের বিষাক্ত প্রচার চলছে যাতে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ তৈরি হয়। কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এই আগুন জ্বালিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই খেলা আর চলবে না। মুর্শিদাবাদের সাধারণ মানুষ শান্তি চায়। হিন্দু-মুসলিম দুই সম্প্রদায়ই এখানে শত শত বছর ধরে পাশাপাশি বাস করছে।

কিন্তু কিছু রাজনৈতিক শক্তি এই সৌহার্দ্য নষ্ট করতে চাইছে।”অধীর চৌধুরী রঘুনাথগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “গতকাল রামনবমীর শোভাযাত্রায় যে ঘটনা ঘটেছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর পেছনে পরিকল্পিত চক্রান্ত রয়েছে। প্রশাসন যদি সময়মতো কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে।”

তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে সরাসরি প্রশ্ন করে বলেন, “দিদি, আপনি কেন এই সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন? কেন রাজ্যের সাধারণ মানুষকে এই আতঙ্কের মধ্যে রাখা হচ্ছে?”কংগ্রেস নেতা আরও অভিযোগ করেন যে, কিছু রাজনৈতিক দল সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, “এই ধরনের বিষ ছড়িয়ে ভোট আদায় করা যায় না। মুর্শিদাবাদের মানুষ এখন সচেতন। তারা শান্তি ও উন্নয়ন চায়।”