
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে পাকিস্তান জিতলেও, সহজ লক্ষ্য ধাওয়া করলেও বারবার হোঁচট খেলেন তাদের ব্যাটাররা। ১৪৮ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়েও পাকিস্তান কেবল ৩ উইকেটে জয় তুলে নিল। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দর্শকরা যেন সাসপেন্সের মধ্যে কাঁপছিলেন।
বিশ্বকাপের অভিযান শুরুতেই আচমকা অসুস্থ তারকা পেসার! বদলিতে কে?
শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘা। শুরু থেকে নেদারল্যান্ডসের ব্যাটাররা সাহসী ক্রিকেট খেলতে থাকেন। ম্যাক্স ও’দুদ রান না পেলেও মাইকেল লেভিট ঝড় তুলেন। বাস ডে লিড ও স্কট এডওয়ার্ডসরা ধারাবাহিক আক্রমণ চালান। শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মহম্মদ নওয়াজদের সামনে নেদারল্যান্ডস কার্যত ছেলেখেলা শুরু করলেও অভিজ্ঞতার ঘাটতি তাদের বড় স্কোরে পৌঁছাতে দেয়নি। পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ নেদারল্যান্ডসকে বেশ কিছুটা সীমিত রাখে। আবরার আহমেদ ২৩ রানে ২ উইকেট, এবং সাইম আয়ুব ৭ রানে ২ উইকেট নেন।
পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরুটা ভালোই ছিল। সাহিবজাদা ফারহান ৩১ বলে ৪৭ রান করেন চারটি চার ও দুটি ছক্কায়। সাইম আয়ুবও ২৪ রান করেন। তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অধিনায়ক আরিয়ান দত্ত নেদারল্যান্ডসকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন। সাইম ও সলমন আঘাকে ফেরানোর পর একের পর এক উইকেট পতন হয়। বাবর আজম তার স্বভাবসিদ্ধ ‘টেস্ট ক্রিকেট’ খেলে আউট হন। এরপর উসমান খান, শাদাব খান ও মহম্মদ নওয়াজরা দ্রুত বিদায় নেন।
আশিসের চোটের ধাক্কা সামলাতে বাগান শিবিরে আসছে এই দুর্ধর্ষ ফুটবলার!
শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন ফাহিম আশরাফ। মাত্র ১১ বলে ২৯ রান করে তিনি পাকিস্তানকে জয় এনে দেন। ১৯ ওভারে মিস হওয়া সহজ ক্যাচও ম্যাচের পালাক্রমে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। পরের ওভারের শুরুতেই ফাহিম ম্যাচের শেষ বাঁধা দূর করেন।
পাকিস্তান জিতলেও নিজেদের ‘সহজ ম্যাচ কঠিন করা’ অভ্যাসকে এখনও ভুলে যায়নি। নেদারল্যান্ডসের মতো দলের বিরুদ্ধে এমন পারফরম্যান্স ভারতের মতো বড় দলের বিরুদ্ধে হলে কি হত, তা ভেবেই পাকিস্তানের ভক্তদের জন্য কিছুটা উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। তাহলে সেই কারণেই কি আগেভাগে ভারত বয়কটের ডাক দিচ্ছে পাকিস্তান?
View this post on Instagram













