Turmaric: উন্নত হলুদ চাষে কোটিপতি! দেখুন কি সেই চাষ

28

দিন দিন সমাজ যত এগোচ্ছে ততই মানুষ বেশি উন্নত হচ্ছে। আর উন্নত হওয়ার সাথে সাথে মানুষের জীবনধারার পরিবর্তন ঘটছে। সেই সঙ্গে বেড়ে চলেছে জনসংখ্যা। সারা বিশ্বের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা খুবই বেশী আর তাই স্বাভাবিক ভাবেই বাড়ছে বাসস্থান।

উপরন্তু চাপ বাড়ছে কলকারখানা গুলির। মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তির কলকারখানা সংখ্যা বাড়ছে।তাই নিত্যদিন সে কারণেই চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কমছে। কিন্তু সেইজন্য যদি চাষাবাদ বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে লোকে খেতে পাবে না। তাই এইজন্য দিন দিন চাষবাসের পদ্ধতিও পাল্টে যাচ্ছে। মাঠের বদলে বাড়িতেই হচ্ছে নানা ধরনের চাষ। তেমন করেই এবার বাড়িতেই হচ্ছে হলুদ (Turmeric) চাষ। হলুদ হলো মানুষের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

ঔষধি, মশলা, রূপচর্চা সব কিছুতেই হলুদ লাগে।তাই পুরনো পদ্ধতি ছেড়ে নতুন এক পদ্ধতিতে শুরু এখন হয়েছে হলুদ চাষ। যার নাম ভার্টিক্যাল ফার্মিং।

কিন্তু কিভাবে করা হয় এই চাষ? কিই বা লাগে এই চাষে?
এই কৌশল অবলম্বন করে সীমিত জায়গায় ভালো চাষ করা সম্ভব।
১.এই ভার্টিক্যাল ফার্মিং করতে প্রথমেই লাগবে কিছু জি আই পাইপ।
২.সেগুলিকে এবার লম্বা কোনও পাত্রের মধ্যে ২-৩ ফুট গভীরে এবং ২ ফুট পর্যন্ত চওড়া করে উল্লম্বভাবে সেট করতে হবে।
৩.দেখতে হবে যেন পাত্রের উপরের অংশ বন্ধ না থাকে।
৪.প্রতিটি গাছের দূরত্ব রাখতে হবে ১০ সেন্টিমিটার।

৫.এবার জিগজ্যাগ পদ্ধতিতে গাছ লাগাতে হবে।
৬.হলুদ গাছ বাড়লেই গাছের ওই বীজ মাটির পাত্রে রোপণ করা হয়।
৭.এই চাষের জন্য খুব বেশি সূর্যালোকের প্রয়োজন হয় না।
৮. কম সূর্যালোকে রোপণ এর ৯ মাসের মধ্যে দারুন হলুদ চাষ করা সম্ভব হবে।

এই চাষে লাভের পরিমাণ খুব বেশি। ঠিকঠাক পদ্ধতিতে এই চাষ করতে পারলে তা আপনাকে অনেক বেশি লাভবান করতে পারে। হিসাব করে বলা যায়, ২৫০ টন হলুদ চাষে ১০০ টাকা প্রতি কেজি হলুদ বিক্রি করা যায়। তাহলে সেক্ষেত্রে ২.৫ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব এই চাষে। এছাড়া আপনি যদি চান তাহলে বাজারে হলুদ গুঁড়ো করেও বিক্রি করতে পারেন। এমনভাবেই মহারাষ্ট্রের একটি কোম্পানি খুব বড় আকারের হলুদ চাষ করে লাভবান হয়েছে।