ঝাড়গ্রাম: রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (Narendra Modi)পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে ঝাড়গ্রাম সফরে এসে জনসভা শেষ করার পর হেলিপ্যাডের দিকে যাওয়ার পথে হঠাৎই গাড়ি থামিয়ে নামলেন তিনি। ঝাড়গ্রাম শহরের ব্যস্ত কলেজ মোড়ে এক সাধারণ দোকান থেকে কাগজের ঠোঙায় করে ঝালমুড়ি কিনে খেলেন প্রধানমন্ত্রী।
ঝাড়গ্রাম কলেজ মোড়ে ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম সাউ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী দোকানে এসে নিজেই মশলা মুড়ি তৈরী করতে বলেন। সেই মুড়ি খেয়ে ভালো ও বলেন এই অপ্রত্যাশিত মুহূর্তটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে এবং স্থানীয় মানুষের মনে দাগ কেটেছে।রবিবার ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে বিশাল জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে তিনি তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান এবং বিজেপির ‘পরিবর্তনের’ বার্তা দেন।
আরও দেখুনঃ ভুল থেকে শিক্ষা! কেন্দ্রীয় বাহিনীর শরীরেও এবার কমিশনের ক্যামেরা
সভা শেষে যখন সবাই ধরে নিয়েছিলেন যে তিনি সোজা হেলিপ্যাডে চলে যাবেন, তখনই ঘটল এই চমক। কলেজ মোড়ে পৌঁছতেই প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেন। গাড়ি থেকে নেমে সরাসরি রাস্তার ধারের বিক্রম সাউয়ের ছোট দোকানের দিকে এগিয়ে যান। মোদী হাসিমুখে দোকানদারের কাছে ঝালমুড়ি চান। কাগজের ঠোঙায় করে মশলা মুড়ি, কাঁচা লঙ্কা ও পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি সেই ঝালমুড়ি হাতে নিয়ে তিনি খেতে শুরু করেন।
প্রথম দফার নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ৪ দিন ঠিক তার আগেই ঝাড়গ্রামে পরিবর্তন সংকল্প সভা করে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন মোদী। স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন ২৩ এপ্রিলের আগে নিকটবর্তী থানায় আত্মসমর্পণ করুন, নয়তো ৪ মে-র পর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।প্রধানমন্ত্রী মোদী জঙ্গলমহলের বিশাল জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে এই বার্তা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল শাসনের অধীনে পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেট রাজ ও মাফিয়া রাজ চলছে। বিশেষ করে আসানসোলের কয়লা বেল্টে অবৈধ কয়লা খনন, বালি ও মাটি তোলার অবৈধ কারবার, কাটমানি এবং দুর্নীতির এক বিস্তৃত জাল তৈরি হয়েছে।




















