মুজাফফরপুরের ডাকাতির সময় দুই যুবক গুলিবিদ্ধ, অবস্থা আশঙ্কাজনক

মুজাফফরপুর, ২৮ মার্চ ২০২৬: শনিবার গভীর রাতে কান্তি থানা এলাকার কাপারপুরা লিচু বাগানে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতির (Robbery) চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় দুই যুবককে গুলি করে আহত করেছে দুষ্কৃতকারীরা। ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
muzaffarpur-robbery-shooting-two-youth-critical-kanti-lichi-bagan

মুজাফফরপুর, ২৮ মার্চ ২০২৬: শনিবার গভীর রাতে কান্তি থানা এলাকার কাপারপুরা লিচু বাগানে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতির (Robbery) চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় দুই যুবককে গুলি করে আহত করেছে দুষ্কৃতকারীরা। দুজনেরই অবস্থা এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।

আহত দুই যুবক হলেন সাহাওয়াজপুরের বাসিন্দা বিদ্যানন্দ সিং-এর ছেলে অনিল সিং এবং শ্রীসিয়ার বাসিন্দা রাজকিশোর ভগত। অনিল সুতাপট্টি মান্ডির একটি দোকানে কাজ করেন এবং রাজকিশোর স্থানীয়ভাবে মালির কাজ করেন। শহরের কাজ শেষ করে সাইকেলে করে বাড়ি ফেরার সময় তারা কাপারপুরা লিচু বাগানের নির্জন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন।

   

হঠাৎ মোটরসাইকেলে করে আসা দুই দুষ্কৃতকারী তাদের ঘিরে ফেলে ডাকাতির চেষ্টা করে। যুবকরা বাধা দিলে অপরাধীরা নির্দয়ভাবে গুলি চালায়। প্রত্যেক যুবকের শরীরে দুটি করে গুলি লেগেছে। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন।

কান্তি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে বৈরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দুজনের অবস্থাই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পশ্চিম বনের এসডিপিও সুচিত্রা কুমারী এবং কান্তি থানার এসএইচও রবিকান্ত পাঠক তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ছুটে যান এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অপরাধীরা একটি মোটরসাইকেলে ছিল। এসডিপিও সুচিত্রা কুমারী বলেন, “অভিযুক্তদের ধরতে একাধিক পুলিশ টিম অভিযান চালাচ্ছে। শীঘ্রই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।”

এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাস্তা বন্ধ থাকায় গ্রামবাসীদের প্রায়ই এই জনমানবহীন লিচু বাগানের পথ দিয়ে যাতায়াত করতে হয়, যা নিরাপত্তার বড় প্রশ্ন তুলেছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google