কলকাতা: কেরালা ব্লাস্টার্সকে পরাজিত করেই এবারের আইএসএল শুরু করেছিল মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। তারপর আরও টানা তিনটি ম্যাচে বজায় ছিল সেই ছন্দ। অনায়াসেই ঘরের মাঠে একের পর এক দলকে আটকে দিচ্ছিল সার্জিও লোবেরার ছেলেরা। যাদের মধ্যে ছিল চেন্নাইয়িন এফসি থেকে শুরু করে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এবং ওডিশা এফসির মতো দল। তাঁদের বিপক্ষে অতি সহজেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল সবুজ-মেরুন। কিন্তু তারপর আটকে যেতে হয়েছিল বেঙ্গালুরু এফসির কাছে। কান্তিরাভার বুকে লড়াই করে ও আসেনি জয়। শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল দুই শিবিরকে।
তারপর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শক্তিশালী মুম্বাই সিটি এফসির বিরুদ্ধে পরাজিত হতে হয়েছিল একটি গোলের ব্যবধানে। সেই ধাক্কা কাটিয়ে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই মেরিনার্সদের। আগামী শনিবার দ্বিতীয় অ্যাওয়ে ম্যাচে নামবে জেসন কামিন্সরা। জেআরডি স্পোর্টস কমপ্লেক্স লড়াই করতে হবে ওয়েন কোয়েলের জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে। বর্তমানে ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জামশেদপুর। গোল পার্থক্যের ব্যবধানে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে মোহনবাগান। কাজেই লড়াইটা যে সহজ নয় সেটা বলাই চলে। গত দুই ম্যাচের ধাক্কা কাটিয়ে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ সার্জিও লোবেরার।
সেই মর্মে বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যেই জামশেদপুর পৌঁছে গিয়েছে মোহনবাগান ফুটবলার সহ কোচ ও সাপোর্টিং স্টাফেরা। এবার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে পরেরদিন মাঠে নামবে দল। যেখানে লড়াই করতে হবে মাদিহ তালাল থেকে শুরু করে স্টিফেন এজে সহ রাফায়েল মেসি বাউলিদের বিরুদ্ধে। বলাবাহুল্য, গত কয়েক ম্যাচ আগেই অ্যাওয়ে ম্যাচে কলকাতা ময়দানের আরেক প্রধান তথা ইস্টবেঙ্গল দলকে পরাজিত জামশেদপুর। এবার সেই ধারা বজায় রেখে দ্বিতীয় প্রধানকে টেক্কা দিয়ে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে যেতে চাইবেন সকলে।
তবে এই ম্যাচে হয়তো অনিরুদ্ধ থাপাকে মাঠে পাবে না সবুজ-মেরুন। এছাড়াও শহর ছাড়ার আগে লিস্টন-মনবীরদের বাদ দিয়েই দলকে দেখে নিয়েছেন বাগান কোচ। শেষ পর্যন্ত কোন পরিকল্পনায় বাজিমাত করতে পারে মোহনবাগান সেদিকেই নজর থাকবে সবুজ-মেরুন জনতার।




















