ঝাড়গ্রাম: রবিবার ছুটির দিনে ঝাড়গ্রামে প্রচারে এসে এক ভিন্ন মেজাজে ধরা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাস্তার ধারের দোকান থেকে ঝালমুড়ি খেয়ে জনসংযোগ সারতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু মোদীর এই ‘স্ন্যাকস ব্রেক’ নিয়েই এবার শুরু হলো তীব্র রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর এই ঝালমুড়ি খাওয়ার ‘ফটো শ্যুট’-এর চক্করেই ঝাড়গ্রামে নামার অনুমতি পায়নি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের হেলিকপ্টার।
কী অভিযোগ তৃণমূলের?
তৃণমূলের দাবি, রবিবার বিকেলে দাঁতন ও কেশিয়ারিতে নির্বাচনী সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল হেমন্ত সোরেন ও তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনের। ঝাড়গ্রামেই তাঁদের হেলিকপ্টার অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু সেই সময় প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেতে ব্যস্ত থাকায় নিরাপত্তা ও প্রোটোকলের দোহাই দিয়ে সোরেন দম্পতির চপারকে নামতে দেওয়া হয়নি। দীর্ঘক্ষণ আকাশে অপেক্ষা করার পর শেষমেশ সভা না করেই তাঁদের রাঁচিতে ফিরে যেতে হয়।
আদিবাসী-বিরোধী তকমা Modi jhalmuri controversy
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের তোপ, “প্রধানমন্ত্রীর ফটো তোলার শখ কি গণতান্ত্রিক অধিকারের চেয়েও বড়? নিজের স্ন্যাকস বিরতি লম্বা করার জন্য ঝাড়খণ্ডের নির্বাচিত দুই নেতাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে রাখা হলো।” তৃণমূলের আরও অভিযোগ, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে নরেন্দ্র মোদীর ‘আদিবাসী-বিরোধী’ মানসিকতা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে ভোটের আবহে ঝালমুড়ির স্বাদ যে এমন ‘তেতো’ রাজনৈতিক তর্কে মোড় নেবে, তা বোধহয় ভাবেননি কেউই।




















