প্রতারণার অভিযোগে মামলা! নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতে মিঠুন

কলকাতা: প্রাক্তন ব্যক্তিগত সচিব ও তাঁর স্ত্রীর দায়ের করা প্রতারণার মামলার বিরুদ্ধে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়ে ...

By Moumita Biswas

Published:

Follow Us
Mithun Chakraborty Court Case

কলকাতা: প্রাক্তন ব্যক্তিগত সচিব ও তাঁর স্ত্রীর দায়ের করা প্রতারণার মামলার বিরুদ্ধে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়ে ইতিমধ্যেই আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ( Mithun Chakraborty Court Case)। চলতি সপ্তাহেই মামলার প্রাথমিক শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

মিঠুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাঁর প্রাক্তন সচিব সুমন রায়চৌধুরী এবং সুমনের স্ত্রী। তাঁদের দাবি, কলকাতার একটি হোটেল নির্মাণ প্রকল্পে ইন্টেরিয়র ডেকরেশনের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁদের। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু অর্থ মিললেও, পরে অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়া হয়। সেই কাজে ব্যয় করতে গিয়ে স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে টাকা জোগাড় করতে হয় বলে জানান সুমন। অথচ কাজ শেষ হওয়ার পর সেই অর্থ সম্পূর্ণ পরিশোধ করা হয়নি বলেই অভিযোগ।

   

চিৎপুর থানায় দায়ের করা এফআইআরে সুমন ও তাঁর স্ত্রীর দাবি, তাঁদের মোট ৩৫ লক্ষ টাকা প্রাপ্য, যা আজও মেটানো হয়নি। অভিযোগ, টাকা চাওয়ায় তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে সুমনের স্ত্রী সোমবার শিয়ালদা আদালতে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন।

অন্যদিকে, গোটা অভিযোগ অস্বীকার করে মিঠুন চক্রবর্তীর তরফে বলা হয়েছে, এফআইআরটি ভিত্তিহীন। ফলে মামলা বাতিলের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছেন অভিনেতা। তাঁর হয়ে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন একদল অভিজ্ঞ আইনজীবী।

এই মামলায় মিঠুনের এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি, পেশায় আইনজীবী বিমান সরকারের নামও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মে বিমান সরকার প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন।

প্রাথমিক শুনানিতে আদালত কী অবস্থান নেয়, তার দিকেই এখন নজর আইনজগৎ ও বিনোদন মহলের।

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google