heart attack risk: প্রতিদিন মিষ্টি খাচ্ছেন! সুগার নয় বরং বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

কথায় আছে বাঙালি খাদ্য রসিক আর বাঙ্গালীদের খাদ্যের মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো মিষ্টি। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের সারা দিনে অন্তত একটা মিষ্টি না খেলে চলে না। তবে অনেকে মনে করেন অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে পারে, যার ফলে সুগারের মত রোগ সহজেই বাসা বাঁধতে পারে দেহে

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
New study debunks belief that daily sugar intake increases heart attack risk

কথায় আছে বাঙালি খাদ্য রসিক আর বাঙ্গালীদের খাদ্যের মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো মিষ্টি। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের সারা দিনে অন্তত একটা মিষ্টি না খেলে চলে না। তবে অনেকে মনে করেন অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে পারে, যার ফলে সুগারের মত রোগ সহজেই বাসা বাঁধতে পারে দেহে, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন সুগারের জন্য শুধুমাত্র মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য দায়ী নয় তার থেকে অনিদ্রা অনিয়মিত জীবনযাত্রা এবং মানসিক চাপ মানবদেহে শর্করার পরিমাণ খুব সহজেই বাড়িয়ে তুলতে পারে।

তবে চিনি সুগারের পরিমাণ সামান্য পরিমাণে বাড়ালেও তার থেকে হৃদ রোগের সমস্যা বেশি করে থাকে। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যারা নিয়মিত অত্যাধিক মাত্রায় মিষ্টি সেবন করেন তাদের মধ্যে সুগারের তুলনায় স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। অন্যদিকে মিষ্টি কিংবা চিনি এড়িয়ে চললেও বিভিন্ন বাজারজাত দ্রব্য বিশেষ করে ঠান্ডা পানীয় আমাদের অতি পছন্দের এই ঠান্ডা পানীয় এর মধ্যে থাকে এক ধরনের বিশেষ শর্করা যাকে ফ্রি সুগার বলা হয়।

   

যা একই ভাবে আমাদের শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, চিনির বদলে খাওয়া যেতে পারে ব্রাউন সুগার মধু এবং গুড় জাতীয় খাদ্য। পাশাপাশি একইভাবে খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যুক্ত খাবার যা আমাদের শরীরে রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করবে এবং হৃদ যন্ত্রকে সচল এবং সতেজ রাখবে। প্রতিদিন সকালে উঠে চায়ে চিনির বদলে সামান্য পরিমাণে মধু দিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা যাতে চায়ের স্বাদ বাড়বে এবং আমাদের শরীর শর্করা মুক্ত হবে।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।