বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটকে সামনে রেখে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমেই তপ্ত হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে রবিবার একাধিক কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM MODI) । ...
বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটকে সামনে রেখে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমেই তপ্ত হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে রবিবার একাধিক কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM MODI) । তাঁর দিনভর ব্যস্ত সূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে তীব্র আগ্রহ। বিশেষ করে ঠাকুরনগর, হুগলি এবং কলকাতায় তাঁর ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘিরে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
দিনের শুরুতেই উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী(PM MODI) । এই কেন্দ্রটি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রভাব যথেষ্ট। দীর্ঘদিন ধরেই এই সম্প্রদায়কে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের অবস্থান মজবুত করার চেষ্টা করছে। ফলে ঠাকুরনগরের এই জনসভা যে কেবল একটি সাধারণ নির্বাচনী প্রচার নয়, বরং একটি কৌশলগত পদক্ষেপ—তা বলাই বাহুল্য। মোদীর বক্তব্যে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা থাকতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।
ঠাকুরনগরের সভা ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। বিশাল জনসমাগমের সম্ভাবনা থাকায় স্থানীয় স্তরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে নিরাপত্তার প্রতিটি দিকেই বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রবিবারের সভাকে সফল করতে তারা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। ঠাকুরনগরের কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে রওনা দেবেন হুগলির হরিপালের উদ্দেশ্যে। সেখানেও একটি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি। হরিপাল কেন্দ্রেও নির্বাচনী লড়াই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে এই সভা থেকে তিনি স্থানীয় ইস্যু তুলে ধরে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও তাঁর বক্তব্যে প্রতিফলন ঘটতে পারে।
হরিপালের সভা শেষে মোদী চলে আসবেন কলকাতায়। মহানগরীতে তাঁর কর্মসূচি ঘিরে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কলকাতার কেন্দ্রস্থলে বিকে পাল অ্যাভিনিউ থেকে খান্না মোড় পর্যন্ত একটি রোড-শো করবেন তিনি। এই রোড-শোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় প্রস্তুতি তুঙ্গে। রাস্তার দু’ধারে ব্যানার, পোস্টার এবং দলীয় পতাকায় সেজে উঠছে এলাকা। সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে এই কর্মসূচিকে ঘিরে।