রাজ্য রাজনীতিতে মোহিতের নতুন স্ট্র্যাটেজি, সুকান্ত কি চুপ থাকবেন?

উত্তর দিনাজপুরের জনসভায় রাজনৈতিক উত্তাপকে নতুন মাত্রা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। জনসভার মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি কোনো রাখঢাক ছাড়াই কংগ্রেসের জেলা সভাপতিকে বিজেপিতে যোগ দিতে ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
sukanta-majumdar-abhishek-humayun-firhad-controversy

উত্তর দিনাজপুরের জনসভায় রাজনৈতিক উত্তাপকে নতুন মাত্রা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। জনসভার মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি কোনো রাখঢাক ছাড়াই কংগ্রেসের জেলা সভাপতিকে বিজেপিতে যোগ দিতে আহ্বান জানান। তবে এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত আহ্বান নয়, বরং বাংলার ভোটময় পরিস্থিতিতে একটি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য অনুযায়ী, “তৃণমূল কংগ্রেসকে হারাতে গেলে নবান্নে শুধু ফিশ-ফ্রাই খেলে চলবে না। এখানে শক্তিশালী রাজনৈতিক কৌশল ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমর্থন প্রয়োজন। নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরতে হবে। মোহিত সেনগুপ্ত-সহ যারা কংগ্রেসে ভাল কাজ করছেন, তাঁরা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হোন।” এই আহ্বান কেবল কংগ্রেসের জেলা সভাপতির উদ্দেশ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তিনি প্রাদেশিক নেতৃত্বকেও সরাসরি আক্রমণ করেন। বিশেষত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “শুভঙ্কর সরকারকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।”

   

উল্লেখযোগ্য বিষয়, সুকান্ত মজুমদার তাঁর বক্তব্যে নতুন রাজনৈতিক ব্যঞ্জনা হিসেবে ‘ফিশ-ফ্রাই রাজনীতি’-এর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। বাংলার ভোটপর্বের আবহে এটি একটি চমকপ্রদ মন্তব্য। তাঁর ভাষায়, শুধু প্রথাগত প্রচারণা বা সামান্য আনন্দমুখর কর্মকাণ্ড যথেষ্ট নয়; রাজনৈতিক সমীকরণে শক্তি এবং কৌশল প্রয়োজন। তিনি জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি বিজেপিতে যোগদানের আহ্বানকে একটি কার্যকর রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে তুলে ধরেছেন।

এই জনসভা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে শুধুই একটি স্বতন্ত্র ইভেন্ট নয়, বরং সামনের নির্বাচনে কংগ্রেস-বিজেপি-তৃণমূল তিনদলীয় রাজনীতির নতুন মানচিত্রের ইঙ্গিত। মোহিত সেনগুপ্তের মতো কংগ্রেসের কিছু প্রভাবশালী নেতাকে বিজেপির পক্ষ থেকে খোলা আমন্ত্রণ দেওয়া মানে শুধু দলে যোগ দেওয়ার কথা নয়; এটি একটি রাজনৈতিক কৌশল যার লক্ষ্য হচ্ছে প্রাদেশিক ক্ষমতার ভারসাম্য বদলানো।

 

 

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google