পর্যটন খাতে ধাক্কা, বন্ধ মিলেনিয়াম পার্ক ও শিপিং জেটি

কলকাতা: ভোটের আবহে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সেই উত্তেজনার আঁচ এবার সরাসরি পড়ল শহরের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র কলকাতার (Kolkata) মিলেনিয়াম পার্কে (Millennium Park)। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হলো ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
2026 Assembly Elections: Millennium Park and Jetty Closed Until Further Notice

কলকাতা: ভোটের আবহে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সেই উত্তেজনার আঁচ এবার সরাসরি পড়ল শহরের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র কলকাতার (Kolkata) মিলেনিয়াম পার্কে (Millennium Park)। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হলো গঙ্গার ধারের এই পার্ক। একই সঙ্গে তালা ঝুলেছে পার্ক সংলগ্ন শিপিং জেটিতেও।

মিলেনিয়াম (Kolkata) পার্কের ঠিক বিপরীতেই অবস্থিত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও (CEO) দপ্তর। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই দপ্তরকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই বাড়ছিল উত্তেজনা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের জমায়েত, বিক্ষোভ, স্লোগান সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছিল। দফায় দফায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় প্রশাসন বিশেষভাবে সতর্ক হয়ে ওঠে। এই প্রেক্ষাপটেই নিরাপত্তার স্বার্থে মিলেনিয়াম পার্কের (Kolkata) মতো জনসমাগমের জায়গা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। কারণ, পার্কটি শুধু বিনোদনের জায়গাই নয়, প্রতিদিন বহু মানুষের ভিড় জমে এখানে। নদীর ধারে বসে সময় কাটানো থেকে শুরু করে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা সব মিলিয়ে এটি একটি জনপ্রিয় আকর্ষণ। ফলে এমন জায়গায় ভিড় জমলে যে কোনও সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেই আশঙ্কা প্রশাসনের।

   

শুধু পার্ক নয়, আশেপাশের এলাকাতেও জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতিমধ্যেই স্ট্র্যান্ড রোড-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা (যা আগে ১৪৪ ধারা নামে পরিচিত ছিল) জারি করা হয়েছে। এর ফলে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি মানুষের জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। পাশাপাশি স্ট্র্যান্ড রোডের একটি বড় অংশও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে যান চলাচলের জন্য, যাতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। শুক্রবার দুপুরে আচমকাই মিলেনিয়াম পার্ক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। পার্কের ভিতরে তখন যারা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের সকলকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google