কে কোন দফতর পাবেন নতুন সরকারে? মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি এমন খবর সামনে…

Dilip Ghosh bulldozer remark

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি এমন খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক (Dilip Ghosh)  মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, আগামী ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে চলেছে। সেই অনুষ্ঠান ঘিরে রাজ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কৌতূহল।

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও বিজেপি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও তালিকা ঘোষণা করেনি, তবে একাধিক সূত্রে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের একটি তালিকা রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে। সেই তালিকায় একাধিক পরিচিত মুখের নাম রয়েছে, যা নিয়ে দলের ভিতরেও আলোচনা চলছে বলে খবর।

   

এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলার সার্বিক উন্নয়নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্যের প্রতিটি দফতরই সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং কোনো দফতরকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। দিলীপ ঘোষ বলেন, “সারা পশ্চিমবঙ্গেই সার্বিক উন্নয়নের দরকার আছে। প্রত্যেকটা দফতরই গুরুত্বপূর্ণ।”

মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন উঠলে দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানান, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর নির্ভর করছে। তিনি বলেন, “কাকে কোন দফতর দেওয়া হবে, সেটা সম্পূর্ণ আমাদের পার্টির নেতৃত্বের হাতেই রয়েছে। আমরা পার্টির কর্মী, কর্মকর্তা। আমাদের নির্বাচনে লড়তে বলা হয়েছে, লড়েছি। আমরা জিতেওছি। এবার পার্টি যে দায়িত্ব দেবে প্রত্যেককে সেই দায়িত্ব পালন করে এই মিশনকে সফল করতে হবে।”

এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, বরং দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন যে নতুন সরকার গঠনের পর মূল লক্ষ্য থাকবে উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি।

অন্যদিকে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেই তালিকায় রয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত, অজিত কুমার জানা, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল খাঁ, অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ, দীপাঞ্জন চক্রবর্তী, দীপক বর্মন, বঙ্কিম ঘোষ, সজল ঘোষ, রুদ্রনীল ঘোষ, সুব্রত ঠাকুর, রথীন্দ্রনাথ বসু, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, জুয়েল মুর্মু এবং নমুন রাই-এর মতো একাধিক নেতা-নেত্রীর নাম।