মমতাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মীনাক্ষীর নেতৃত্বে ‘ইনসাফ’, সব্যসাচীর বার্তায় হাওয়া গরম

ইনসাফ সভা ঘিরে টানটান উত্তেজনা। টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীর সমর্থন

145

সরকারের পুলিশ প্রশাসন অনুমতি না দিলেও ধর্মতলায় হবে ইনসাফ জনসভা। এমনই বার্তা দিয়েছেন সিপিআইএমের (CPIM) যুবনেত্রী (Minakshi Mukherjee) মীনাক্ষী মুখার্জি। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর বাম ছাত্র-যুব জনসভা ঘিরে রাজনৈতিক হাওয়া গরম। অনুমতি বিহীন জনসভা করতে পুলিশ কি বলপ্রয়োগ করবে? এমনই প্রশ্ন উঠছে। মীনাক্ষী মুখার্জির চ্যালেঞ্জ ইনসাফ সভা হবেই ধর্মতলায়। ছাত্র যুবদের ইয়ং ব্রিগেড শক্তি দেখতে পাবে (TMC) তৃণমূল কংগ্রেস সরকার।

মীনাক্ষী মু়খার্জির নেতৃত্বে ইনসাফ সভার পক্ষে সরব হলেন অভিনেতা সব্যসাচী। তিনি ভিডিও বার্তায় বলেন, “গোটা রাজ্যে গণতন্ত্র নেই। শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীরাও তাঁদের মত প্রকাশ করতে পারছেন না। শিক্ষা কারখানা ও অন্যান্য কাজের জায়গায় চলছে চরম দুর্নীতি। চলছে শাসকের চোখ রাঙানি, পুলিশের দাদাগিরি, দুষ্কৃতিদের জুলুমবাজি। আনিস, মইদুল, বিদ্যুৎ, সুদীপ্তদের এরা খুন করেছে। তাই সবার ইনসাফের দাবিতে ধর্মতলা চলুন।”

সব্যসাচী বরাবর সিপিআইএম ঘনিষ্ঠ। তিনি বামপন্থীদের হয়ে প্রচারেও অংশ নেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে জুলুমবাজির সরকার চলছে।

এদিকে ধর্মতলায় ‘ইনসাফ’ সভায় অনুমতি না দেওয়ায় বিতর্কে মমতা সরকার। কারণ, তৃ়ণমূল কংগ্রেস বরাবর ২১ জুলাই সভা করে। মঞ্চে থাকেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করেন সিপিআইএমের ছাত্র নেতা সৃজন ভট্টাচার্য এবং যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখ্যোপাধ্যায়৷ মীনাক্ষীর প্রশ্ন, কেন একটি মাত্র দল ওই জায়গায় সভা করতে পারবে? বাকিরা কেন পারবে না? কেন ওখানে সভা করার জন্য আদালতে যেতে হবে?

কয়েক বছর আগে বাম ছাত্র যুবদের নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়। মৃত্যু হয় ছাত্রনেতা মইদুল ইসলাম মিদ্যার। পরবর্তীকালে মইদুলের মৃত্যুকে সামনে রেখেই লড়াই করেছে বাম শিবির। ২০ তারিখের সভা থেকেও একই ইস্যুতে সোচ্চার হতে চাইছে বাম নেতৃত্ব।