Kalyan Banerjee-বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন ভাইপো

তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে উত্তপ্ত দলের অন্দর মহল। দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বদের ময়দানে নামতে হয় বিতর্ক থামাতে।

By Kolkata24x7 Team

Published:

Updated:

Follow Us

তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে উত্তপ্ত দলের অন্দর মহল। দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বদের ময়দানে নামতে হয় বিতর্ক থামাতে। যাকে ঘিরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে এতো আলোচনা সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন চুপ থাকলেও অবশেষে বৃহস্পতিবার তিনি এ নিয়ে মুখ খোলেন।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে গোয়া সফরে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কথা বলেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বলে থাকেন দলে একজনই নেত্রী আছে তাতে ভুল কিছুই নেই। তিনি ঠিক কথাই বলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলের নেত্রী। তিনি আরও বলেন, শ্রীরামপুর সাংসদ অভিষেকের বিরুদ্ধে কথা বলায় প্রমাণিত হয় তৃণমূলে গণতন্ত্র আছে। কাউকে বলপূর্বক চুপ করিয়ে রাখা হয়না।

   

সম্প্রতি নিজের নির্বাচনী এলাকা ডায়মন্ড হারবারে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে একটি মডেল তৈরি করেন তৃণমূলের আরেক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘোষণা করেন, আগামী দু মাস কোনও ধর্মীয় বা রাজনৈতিক সমাবেশ হবেনা। এরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, নিজের লোকসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করে নিজের দলের বিরুদ্ধেই কাজ করছেন তিনি। এরই সঙ্গে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া অন্য কোনও নেতা-নেত্রীর নির্দেশ তিনি মানবেনা।

শ্রীরামপুরের সাংসদের এহেন মন্তব্যের পর শুরু হয় ঘোর বিতর্ক। দলীয় কর্মীরাই তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার শুরু করে। সোশ্যাল মিডিয়ার পাশাপাশি জায়গায় জায়গায় পোস্টার পড়ে ‘শ্রীরামপুর নতুন সাংসদ চায়।’ তখন থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চুপ ছিলেন। কোনও প্রশ্নেরই প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা যায়নি তাঁকে। অবশেষে বৃহস্পতিবার তাঁর প্রতিক্রিয়ায় মেলায় তৃণমূলের অন্দরে স্বস্তি ফিরবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google