
রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিনটি ভারতের স্বাধীনতা দিবসের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক চম্পক রাই। সংবাদ সংস্থা ANI কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, রাম মন্দিরের পবিত্রকরণ ভারতের সম্মানের পুনঃ পবিত্রতা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের শীর্ষ নেতা চম্পক রাইয়ের এমন মন্তব্যের পর অযোধ্যাসহ দেশের কেন্দ্রীয় রাজনীতি সরগরম। তবে বিজেপি তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।
হিন্দুত্ববাদী নেতা চম্পত রাই বলেছেন, আসন্ন ২২ জানুয়ারি দিনটি হবে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ। ওই দিন রাম মন্দির উদ্বোধন হবে। চম্পত রাই বলেন এই দিনটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ও কার্গিল পুনরুদ্ধারের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২০ সালের ৫ আগস্ট অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। আর ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদী থেকে শুরু করে দেশের সব শীর্ষ নেতা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের ব্যক্তিত্বদের রাম মন্দির উদ্বোধনে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা।
অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে। 22 জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাম লল্লার পবিত্রতা করবেন। এই অনুষ্ঠানে দেশের সমস্ত ভিভিআইপি ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অযোধ্যা শহর রূপান্তরিত হবে দুর্ভেদ্য দুর্গে। যেখানে একটি পাখিও মারতে পারবে না কেউ।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, আমন্ত্রণপত্র ছাড়া ২২ জানুয়ারি কেউ অযোধ্যায় আসতে পারবে না। যদি কেউ এই তারিখে তৈরি আমন্ত্রণ কার্ডের প্রি-বুকিং করে থাকে তবে তা বাতিল করা হবে।
২২শে জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন শুধুমাত্র তারাই অযোধ্যায় যেতে পারবেন, যাদের কাছে আয়োজক কমিটির আমন্ত্রণপত্র রয়েছে বা সরকারী দায়িত্বে রয়েছেন। যারা ইতিমধ্যেই আমন্ত্রণ ছাড়াই ২২ জানুয়ারির জন্য অযোধ্যায় হোটেল এবং গেস্ট হাউস বুক করেছেন, তাদের বুকিং বাতিল করা হবে। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন অযোধ্যা বিমানবন্দরে একশটিরও বেশি বিমান অবতরণ করবে। এ সময়ের মধ্যে যান চলাচলের রুটেও পরিবর্তন আনা হবে।









