লখনউ: সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে চলছিল মগজধোলাই এবং জঙ্গি নিয়োগ! গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এবার উত্তরপ্রদেশের বিজনোর থেকে দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করল অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS)। ধৃতদের নাম উবাইদ মালিক ও জালাল হায়দার ওরফে সমীর। এটিএস সূত্রে খবর, পশ্চিম এশিয়ায় বসে থাকা এক পাক-মদতপুষ্ট হ্যান্ডলারের নির্দেশে ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক কষছিল এই নেটওয়ার্ক।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই মাস্টারমাইন্ড বা হ্যান্ডলারের নাম আকিব। সে আদতে মিরাটের বাসিন্দা হলেও বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। সেখান থেকেই ইনস্টাগ্রাম সহ অন্যান্য সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে উস্কানিমূলক ও দেশবিরোধী পোস্ট করে যুবকদের মগজধোলাই করত সে। তিন বছর আগে সুরাটে কাজ করার সময় দক্ষিণ আফ্রিকা নিবাসী মাইজুল নামে এক সঙ্গীর মাধ্যমে আকিবের সঙ্গে আলাপ হয় ধৃতদের।
এই জঙ্গি মডিউলের পর্দাফাঁস হয় গত বছরের (২০২৫) নভেম্বরে ভাইরাল হওয়া একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিওর সূত্র ধরে। সেখানে আকিবকে একে-৪৭ (AK-47) রাইফেল এবং বিস্ফোরক হাতে দেখা গিয়েছিল। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, সেই সময় স্থানীয় পুলিশ ওই আগ্নেয়াস্ত্রগুলিকে ‘খেলনা’ বলে দাবি করে তদন্ত বন্ধ করে দেয়। কিন্তু সম্প্রতি নতুন প্রমাণ মেলায় তদন্তভার যায় এটিএসের হাতে। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে তৎকালীন এসএইচও (SHO) এবং তদন্তকারী আধিকারিককে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২ এপ্রিল মিরাট ও নয়ডা থেকে এই মডিউলেরই চারজনকে লখনউ স্টেশনে হামলার ছক কষার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল এটিএস। বর্তমানে আকিব সহ পলাতক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করে আন্তর্জাতিক স্তরে তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারী সংস্থা। বাতিল করা হচ্ছে অভিযুক্তদের পাসপোর্টও।




















