শঙ্করাচার্যের কোপে যোগীর ‘হিন্দুত্ব খতরে মে!’

প্রয়াগরাজ: বিপাকে যোগী। এবার নাকি তাকে হিন্দুত্বের প্রমান দিতে হবে। এমনটাই নিদান হাঁকলেন শঙ্করাচার্য (Shankaracharya)অবিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী। তিনি তার মন্তব্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে যোগীর হাতে…

shankaracharya-yogi-adityanath-hindutva

প্রয়াগরাজ: বিপাকে যোগী। এবার নাকি তাকে হিন্দুত্বের প্রমান দিতে হবে। এমনটাই নিদান হাঁকলেন শঙ্করাচার্য (Shankaracharya)অবিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী। তিনি তার মন্তব্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে যোগীর হাতে আর মাত্র ৪০ ঘন্টা সময় আছে। তার মধ্যে যদি হিন্দুত্বের প্রমান না দেন যোগী আদিত্যনাথ তাহলে বাতিল করা হবে তার হিন্দু পরিচয়। সম্প্রতি প্রয়াগরাজে এক সভায় শঙ্করাচার্য বলেন, “কেবল কথায় হিন্দুত্ব প্রমাণ হয় না।

গেরুয়া পোশাক, ভাষণ আর মন্দির-মসজিদের রাজনীতি যথেষ্ট নয়। সত্যিকারের ধর্মরক্ষা করতে হবে।” তিনি আরও বলেন গরু হত্যা বন্ধ না হলে, মাংস রফতানি চলতে থাকলে হিন্দুত্ব কীভাবে রক্ষা পাবে?” তিনি যোগী সরকারের উপর অভিযোগ তুলে বলেন, উত্তরপ্রদেশে গরু হত্যা এখনও চলছে। আর উত্তরপ্রদেশ বিফ রফতানিতে দেশের সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করে রয়েছে।

   

দেশীয় বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির কাজ করছে ভারত, শীঘ্রই পরীক্ষা হবে প্রকল্প কুশার

“যোগী আদিত্যনাথ মহন্ত, গোরক্ষক বলে পরিচিত, কিন্তু তাঁর রাজ্যে গরু মাতা রক্ষা হচ্ছে না। এটা হিন্দুত্বের অপমান!”এই বিতর্ক নতুন নয়। গত কয়েক বছর ধরে স্বামী অবিমুক্তেশ্বরানন্দ বিজেপি সরকারের গোরক্ষা নীতির সমালোচনা করে আসছেন। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রে বা রাজ্যে হিন্দু প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও গরু হত্যা বন্ধ হয়নি। উত্তরপ্রদেশে বিফ রফতানি সর্বোচ্চ হওয়ায় তিনি যোগী সরকারকে ‘দ্বিচারী’ বলে কটাক্ষ করেছেন।

সম্প্রতি মাঘ মেলা, কুম্ভ মেলা নিয়েও তাঁর সঙ্গে যোগী সরকারের বিরোধ হয়েছে। পুলিশের বাধা, মারধরের অভিযোগ, এমনকি ‘শঙ্করাচার্য’ উপাধি নিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “এটা হিন্দুত্বের লড়াই আসল হিন্দু বনাম নকল হিন্দু।” এই চ্যালেঞ্জের পর রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া তীব্র। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলেছেন, “বিজেপির হিন্দুত্ব ফেক, এখন শঙ্করাচার্য নিজেই প্রমাণ করতে বলছেন।

যোগীজিকে ক্ষমা চাইতে হবে।” অন্যদিকে, বিজেপি নেতারা এটাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। কেউ কেউ বলছেন, শঙ্করাচার্যের সঙ্গে বিজেপির দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান বয়কট, কুম্ভ মেলায় অভিযোগ এসব মিলে এই আক্রমণ। যোগী সরকারের পক্ষ থেকে এখনও সরাসরি প্রতিক্রিয়া আসেনি, তবে দলের কয়েকজন নেতা বলছেন, “উত্তরপ্রদেশে গোরক্ষা আইন কঠোর, রফতানি নিয়ন্ত্রিত এবং শঙ্করাচার্যের এই অভিযোগ অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়।