হাদি হত্যার দুই অভিযুক্তকে নয়াদিল্লির দাওয়াই NIA র

osman-hadi-murder-nia-probe-west-bengal-suspects

কলকাতা: বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের নেতা ওসমান হাদি। (Osman Hadi)অজ্ঞাতপরিচয় শুটারদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন হাদি। আন্দোলনের সময় একাধিকবার ভারত বিরোধী মন্তব্য করতে শোনা যায় তাকে। ভারতের সেভেন সিস্টার্স আলাদা করার হুমকিও দিচ্ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের অশান্ত পরিবেশে ঢাকার রাজপথে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন জুলাই জঙ্গি হাদি। তদন্ত করতে গিয়ে তার দুই হত্যাকারীকে খুঁজে পাওয়া যায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে।

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের বনগাঁ অঞ্চলে লুকিয়েছিল তারা। যাতে খুব সহজেই সীমান্ত পার হয়ে ফিরে যেতে পারে বাংলাদেশে। আজ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়জল করিম মাসুদ (রাহুল নামেও পরিচিত) ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে বিশেষ বিমানে করে কলকাতা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ “আওয়াজেই প্যান্ট ভিজে যাবে!” খড়গপুরে ফিরেই আইসি-কে বেনজির আক্রমণ দিলীপের

এই দুই ব্যক্তিকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গ্রেফতার করেছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছিল যে, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় রিকশায় যাওয়ার সময় ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তারা জড়িত।

এসটিএফের অভিযানে তাদের আটকের পর ১৪ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। রবিবার (২২ মার্চ) বিধাননগর আদালতে তোলা হলে ফয়জল করিম আদালতে দাবি করেন, “আমি এই হত্যায় জড়িত নই।” তবে তদন্তকারীরা বলছেন, প্রাথমিক স্বীকারোক্তি এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের যোগসূত্র স্পষ্ট।এদিকে, এনআইএ রবিবার বিধাননগর আদালতে আবেদন করে জেলের ভেতর জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চায়।

আদালত অনুমতি দেয় এবং ইউএপিএ-র ধারা ১৬ ও ১৮-এর অধীনে অভিযোগ যোগ করে। সোমবার জেলে জিজ্ঞাসাবাদের পর এনআইএ নিশ্চিত হয় যে, দিল্লিতে নথিভুক্ত ইউএপিএ মামলায় উল্লিখিত দুই ব্যক্তিই ফয়জল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাংলাদেশে হিংসায় জড়িত থাকার পাশাপাশি ভারতে অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) তাদের বিশেষ বিমানে করে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে আরও গভীর তদন্ত চলবে।