সংসদে মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে তীব্র লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি খাড়গের

বিশেষ সংসদীয় অধিবেশনকে সামনে রেখে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে জাতীয় রাজনীতি। কেন্দ্র সরকার এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে সংঘাতের আবহ স্পষ্ট। বিশেষ করে মহিলা সংরক্ষণ বিলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
mallikarjun kharge in lok sabha

বিশেষ সংসদীয় অধিবেশনকে সামনে রেখে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে জাতীয় রাজনীতি। কেন্দ্র সরকার এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে সংঘাতের আবহ স্পষ্ট। বিশেষ করে মহিলা সংরক্ষণ বিলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন করে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। যদিও এই বিলের মূল উদ্দেশ্যকে সমর্থন করছে বিরোধীরা, তবুও এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ডিলিমিটেশন বা লোকসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে তীব্র আপত্তি জানানো হয়েছে।

দিল্লিতে জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের-র বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের শীর্ষ নেতারা একত্রিত হন। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা না করলেও, এর সঙ্গে যুক্ত ডিলিমিটেশন বিলের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেওয়া হবে। বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে খাড়গে স্পষ্ট করে জানান, এই বিষয়ে বিরোধীরা এককাট্টা। খাড়গে বলেন, বিরোধীরা কখনওই মহিলা সংরক্ষণের বিরোধী নয়। বরং অতীতে এই বিলকে সমর্থন করেছে কংগ্রেস। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১০ সালে এবং পরবর্তীতে ২০২৩ সালেও মহিলা সংরক্ষণ বিলকে সমর্থন জানিয়েছিল কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী দল। সংসদে এই বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার ঘটনাও তুলে ধরেন তিনি। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধীদের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তির কোনও অবকাশ নেই বলেই দাবি তাঁর। মূল আপত্তি ডিলিমিটেশন প্রসঙ্গে। বিরোধীদের অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সঙ্গে ডিলিমিটেশন বিলকে যুক্ত করছে। তাঁদের মতে, এই দুটি বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা এবং একসঙ্গে এনে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর উপর প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধী নেতারা। ডিলিমিটেশন বা লোকসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হলে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের রাজনৈতিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতের কিছু রাজ্য দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। বিরোধীদের মতে, এই বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন, তা হঠাৎ করে অন্য একটি বিলের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়।

   

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google