বিজেপির প্রচারে ফাটল? মাঝপথে কর্মসূচি ছাড়লেন স্মৃতি ইরানি

চুঁচুড়া: হুগলির চুঁচুড়ায় বিজেপির নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত শঙ্খনাদ শোভাযাত্রা ঘিরে তৈরি হল রাজনৈতিক উত্তেজনা ও দলীয় অস্বস্তি। শোভাযাত্রা শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্পূর্ণ হল না কেন্দ্রীয় প্রাক্তন ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Smriti Irani Advocates a New Model of Nation-Building at Rajasthan Event

চুঁচুড়া: হুগলির চুঁচুড়ায় বিজেপির নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত শঙ্খনাদ শোভাযাত্রা ঘিরে তৈরি হল রাজনৈতিক উত্তেজনা ও দলীয় অস্বস্তি। শোভাযাত্রা শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্পূর্ণ হল না কেন্দ্রীয় প্রাক্তন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির উপস্থিতি ঘিরে তৈরি হওয়া নানা অনিশ্চয়তা ও সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলার কারণে। পুরো ঘটনায় বিজেপির অন্দরমহলে সমন্বয়ের অভাব নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। জানা গিয়েছে, চুঁচুড়া তিন নম্বর গেটের সামনে অবস্থিত বিজেপি জেলা অফিস থেকে নববর্ষের এই শোভাযাত্রার সূচনা করা হয়। নির্ধারিত সময়ের কিছুটা দেরিতে কর্মসূচি শুরু হয়। কিন্তু সূচনার সময় থেকেই সংগঠনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা অনুপস্থিত থাকায় কর্মসূচির গতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে হুগলি সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে দলের অন্দরেই আলোচনা শুরু হয়।

সূত্রের খবর, এই কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় প্রাক্তন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির উপস্থিতি ঘিরে আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে তাঁর একটি সভারও আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে সকাল থেকেই কর্মীরা ভিড় জমাতে শুরু করেন। আশা ছিল, তিনি সভায় বক্তব্য রাখবেন এবং দলের নির্বাচনী প্রচারকে আরও জোরদার করবেন। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার পর কড়া রোদে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয় কর্মী-সমর্থকদের। ঠিক সেই সময়েই হঠাৎ করেই অর্ধেক পথ থেকে কর্মসূচি ছাড়েন স্মৃতি ইরানি। বিজেপি সূত্রের দাবি, নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তন এবং সাংগঠনিক অসামঞ্জস্যের কারণে তিনি কিছুটা অসন্তুষ্ট ছিলেন। যদিও দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, তাঁর অন্য একটি পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় তিনি মাঝপথে ফিরে যান।

   

তবে শুধু স্মৃতি ইরানির প্রস্থানই নয়, পুরো কর্মসূচি ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। ঘড়ির মোড়ের সভামঞ্চে সকাল থেকে প্রচার চললেও শেষ মুহূর্তে স্মৃতি ইরানির উপস্থিতি না হওয়ায় কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের বড় নেত্রীর উপস্থিতি না থাকায় প্রচার কর্মসূচির প্রভাব কমে যায়। এই কর্মসূচিতে আরও একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল অন্নপূর্ণা ভান্ডারের সূচনা অনুষ্ঠান। পরিকল্পনা ছিল স্মৃতি ইরানি নিজে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। কিন্তু তাঁর অনুপস্থিতির কারণে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় বিজেপি নেতা সুবীর নাগ এই কর্মসূচির সূচনা করেন। তিনি জানান, দলীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কিছু এগোতে পারেনি, তবে কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google