যোগী রাজ্যে চাঞ্চল্য! পুলিশের জালে ISI মহিলা চর

লখনউ: ফের চাঞ্চল্য যোগী রাজ্যে। পুলিশের জালে ধরা পড়ল মীরা নাম এক মহিলা গুপ্তচর। (ISI spy arrested)সন্দেহ করা হচ্ছে মীরা ISI র সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই গ্রেফতারির ফলে ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
isi-woman-spy-arrested-uttar-pradesh-mathura-case

লখনউ: ফের চাঞ্চল্য যোগী রাজ্যে। পুলিশের জালে ধরা পড়ল মীরা নাম এক মহিলা গুপ্তচর। (ISI spy arrested)সন্দেহ করা হচ্ছে মীরা ISI র সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই গ্রেফতারির ফলে এই মামলায় মোট অভিযুক্তের সংখ্যা ১৪-এ পৌঁছেছে, যা ভারতে এখন পর্যন্ত উন্মোচিত সবচেয়ে বড় পাক-সংযুক্ত গুপ্তচর নেটওয়ার্ক বলে পুলিশ দাবি করছে।পুলিশের তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মীরা মথুরায় ই-রিকশা চালাতেন। এটাই ছিল তার ছদ্মবেশ।

সাধারণ একজন ই-রিকশা চালকের ছদ্মবেশ নিয়ে সে অবৈধ অস্ত্র পাচারের কাজ করছিল এবং অপরাধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলে জানা যাচ্ছে। তার হ্যান্ডলাররা পাকিস্তান থেকে নিয়ন্ত্রণ করত। এই নেটওয়ার্কে মহিলাদের ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়োগ করা হতো, কারণ তারা কম সন্দেহের মুখে পড়ে। মীরা নিজে অস্ত্র সরবরাহের কাজে জড়িত ছিলেন। আশ্চর্যের বিষয়, ২০২৫ সালে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তাকে একবার গ্রেফতার করেছিল, কিন্তু পরে তিনি এই গুপ্তচর নেটওয়ার্কে যোগ দেন।

   

আরও দেখুনঃ লালকেল্লার আত্মঘাতী বিস্ফোরণ কাণ্ডে জম্মু কাশ্মীরে ধরপাকড়

এই চক্রের মূল কাজ ছিল সংবেদনশীল স্থানগুলোর ছবি, ভিডিয়ো এবং জিপিএস লোকেশন সংগ্রহ করে পাকিস্তানে পাঠানো। তারা সোলার-পাওয়ার্ড, সিম-ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা বিভিন্ন রেলস্টেশন, সেনা এলাকা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লাগিয়ে দিত। এর মধ্যে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট, সোনিপত এবং অন্যান্য স্থানের নাম উঠে এসেছে। এই ফুটেজ ওয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে পাঠানো হতো, যেখানে ‘লরেন্স বিশনোই ০০৭’ এর মতো নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিটি ভিডিয়ো বা ছবির জন্য ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত পেমেন্ট দেওয়া হতো।নেটওয়ার্কের মাস্টারমাইন্ডদের মধ্যে নওশাদ আলি অন্যতম, যিনি সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল যুবক-যুবতীদের টার্গেট করতেন মোবাইল রিপেয়ার, কম্পিউটার কাজ বা সিসিটিভি ইনস্টলেশনের দক্ষতা থাকা লোকজনকে টাকার লোভ দেখিয়ে নিয়োগ করতেন। নাবালকদেরও ব্যবহার করা হয়েছে ১৫-১৭ বছরের ৫-৯ জন নাবালককে আটক করা হয়েছে।

তারা বিদেশি হ্যান্ডলারের নির্দেশে কাজ করত।এই মামলা শুরু হয়েছিল একটি অস্ত্র মামলা থেকে। গাজিয়াবাদ পুলিশের কাউশাম্বি থানার এক বিট কনস্টেবলের টিপ-অফ থেকে সন্দেহজনক কার্যকলাপ ধরা পড়ে। তারপর থেকে একের পর এক রেইড চালানো হয়েছে। প্রথমে ১৪ মার্চ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয় সুহেল মালিক (মাস্টারমাইন্ড), সানে ইরাম ওরফে মেহেক (এক মহিলা), প্রবীণ, রাজ বল্মীকি, শিবা বল্মীকি এবং রিতিক গঙ্গওয়ার। তারপর আরও নয়জন, চারজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচ নাবালক আটক হয়। সাম্প্রতিকতম গ্রেফতারিতে নওশাদ আলি, মীরা এবং এক নাবালককে ধরা হয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google