নজরে নিরাপত্তা! শাহের নির্দেশে বিমানবন্দরে চালু হবে স্বয়ংক্রিয় এক্স-রে ট্রে রিটার্ন সিস্টেম

নয়াদিল্লি: দেশের বিমানবন্দরগুলোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় (Airport Security)বড় সংস্কারের নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মোট ৬২টি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুরোপুরি ওভারহল করা হবে। এর মধ্যে…

india-airport-security-overhaul

নয়াদিল্লি: দেশের বিমানবন্দরগুলোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় (Airport Security)বড় সংস্কারের নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মোট ৬২টি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুরোপুরি ওভারহল করা হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হলো স্বয়ংক্রিয় এক্স-রে ট্রে রিটার্ন সিস্টেম চালু করা। এই ব্যবস্থা ধাপে ধাপে সব বিমানবন্দরে চালু করা হবে।

অমিত শাহ এই কাজের জন্য দুই বছরের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই নির্দেশ দেশের বিমান পরিবহন খাতে নিরাপত্তা ও যাত্রী সুবিধায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে বিমানবন্দরগুলোয় যাত্রীরা নিরাপত্তা চেকিংয়ের পর এক্স-রে ট্রে ফেরত নিতে অনেক সময় নষ্ট করেন। স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম চালু হলে এই সমস্যা অনেকাংশে কমবে। যাত্রীরা দ্রুত ট্রে ফেরত পাবেন এবং ভিড়ও কমবে।

আরও দেখুনঃ পাক প্রধানমন্ত্রীর পা ধরছেন মোদী! ছবি এডিট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় দিতেই গ্রেফতার সুলেমান

অমিত শাহ আরও নির্দেশ দিয়েছেন যে, ব্যাগেজ ড্রপ সুবিধা বর্তমান ১৬টি বড় বিমানবন্দরের বাইরেও আরও অনেক বিমানবন্দরে বাড়ানো হবে। এতে যাত্রীদের সুবিধা অনেক বাড়বে। বিশেষ করে মাঝারি ও ছোট বিমানবন্দরগুলোয় এই সুবিধা চালু করা হলে যাত্রীরা আগে থেকেই ব্যাগ জমা দিতে পারবেন।এয়ারোব্রিজ বা বিমান সংযোগ সেতুর ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম চালু করা হবে।

যাত্রী সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এয়ারোব্রিজের সংখ্যা ও ব্যবহার নির্ধারণ করা হবে। ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলোয় আরও বেশি এয়ারোব্রিজ ব্যবহার করা হবে, যাতে যাত্রীরা বিমানে ওঠা-নামায় সুবিধা পান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তৃতীয় পক্ষের অডিটের ওপরও জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্বাধীন অডিটরদের দিয়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও যাত্রী ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করাতে হবে। এতে বাধা কোথায় এবং যাত্রীদের দেরি কেন হয়, তা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে।

আরও দেখুনঃ দীর্ঘ ৪০ বছর পর নিউজিল্যান্ডের মাটিতে পা পড়ল কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর

অমিত শাহ বলেন, “যাত্রীদের সুবিধা সর্বোচ্চ করাই আমাদের লক্ষ্য। নিরাপত্তার সঙ্গে সঙ্গে সেবার মানও বাড়াতে হবে।”দেশের বিমান চলাচল খাত দ্রুত বাড়ছে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যাত্রী বিমানে যাতায়াত করছেন। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিক ও শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। অমিত শাহের নির্দেশ অনুসারে সিআইএসএফ এবং অন্যান্য সংস্থা সমন্বয় করে কাজ করবে। দুই বছরের মধ্যে বেশিরভাগ বিমানবন্দরে আধুনিক প্রযুক্তি চালু হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।